ঢাকা ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ভেজাল কীটনাশক, সার মজুত , চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধরা পড়ল কৃষিবিরোধী চক্র বেরোবি তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নেতৃত্বে শুভ-রুশাইদ নারী যাত্রীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগ, গোপালগঞ্জে ঢাকাগামী ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ নলডাঙ্গায় মাদক সেবনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড নোবিপ্রবি অর্থনীতি বিভাগের ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা বাংলাদেশের কাছে অস্ট্রেলিয়ার হারকে ‘বড় অঘটন’ বলছেন সাবেক ক্রিকেটাররা উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিল সরকার বাবা হলেন গায়ক অনুপম রায়, পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন প্রস্মিতা নতুন পে-স্কেল এ বছরেই ঘোষণা, বাস্তবায়নও চলতি বছরে: অর্থমন্ত্রী ভাঙ্গায় মসজিদের জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ
শরীরে মিলেছে অন্তত ২০ আঘাতের চিহ্ন

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ইবি শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনার মৃত্যু

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম ময়নাতদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার মৃত্যুর কারণ হিসেবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণকে দায়ী করেছেন চিকিৎসকরা। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গলার প্রধান রক্তনালী কেটে যাওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম।

তিনি জানান, আসমা সাদিয়া রুনার গলার ডান পাশের নিচের দিকে একটি গভীর ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে, যা ধারালো ছুরি বা অনুরূপ কোনো অস্ত্রের আঘাতে সৃষ্টি হয়েছে। ওই আঘাতে গলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী কেটে যায় এবং সেখানে জমাট বাঁধা রক্ত পাওয়া গেছে। রক্তনালী কেটে যাওয়ার ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ঘটে এবং সেটিই তার মৃত্যুর প্রধান কারণ।

ময়নাতদন্তে আরও দেখা গেছে, শিক্ষিকার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বুকে, পিঠে, পেটে ও হাতে মিলিয়ে অন্তত ২০টি আঘাত পাওয়া গেছে। তবে এসব আঘাত গভীর নয় এবং এগুলোর কারণে মৃত্যু হয়নি। চিকিৎসকদের ধারণা, হামলার সময় নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি এসব আঘাত পেয়েছেন।

ডা. হোসেন ইমাম আরও জানান, আপাতত এটিই প্রাথমিক প্রতিবেদন। চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য চিকিৎসকদের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ডে রয়েছেন আরএমও ডা. হোসেন ইমাম, মেডিকেল অফিসার ডা. রুমন রহমান ও ডা. সুমাইয়া জান্নাত।

উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, একই বিভাগের সাবেক কর্মচারী ফজলুর রহমান ছুরিকাঘাত করে আসমা সাদিয়া রুনাকে গুরুতর আহত করার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেজাল কীটনাশক, সার মজুত , চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধরা পড়ল কৃষিবিরোধী চক্র

শরীরে মিলেছে অন্তত ২০ আঘাতের চিহ্ন

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ইবি শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনার মৃত্যু

প্রকাশের সময়ঃ ১২:০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার মৃত্যুর কারণ হিসেবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণকে দায়ী করেছেন চিকিৎসকরা। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গলার প্রধান রক্তনালী কেটে যাওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম।

তিনি জানান, আসমা সাদিয়া রুনার গলার ডান পাশের নিচের দিকে একটি গভীর ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে, যা ধারালো ছুরি বা অনুরূপ কোনো অস্ত্রের আঘাতে সৃষ্টি হয়েছে। ওই আঘাতে গলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী কেটে যায় এবং সেখানে জমাট বাঁধা রক্ত পাওয়া গেছে। রক্তনালী কেটে যাওয়ার ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ঘটে এবং সেটিই তার মৃত্যুর প্রধান কারণ।

ময়নাতদন্তে আরও দেখা গেছে, শিক্ষিকার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বুকে, পিঠে, পেটে ও হাতে মিলিয়ে অন্তত ২০টি আঘাত পাওয়া গেছে। তবে এসব আঘাত গভীর নয় এবং এগুলোর কারণে মৃত্যু হয়নি। চিকিৎসকদের ধারণা, হামলার সময় নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি এসব আঘাত পেয়েছেন।

ডা. হোসেন ইমাম আরও জানান, আপাতত এটিই প্রাথমিক প্রতিবেদন। চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য চিকিৎসকদের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ডে রয়েছেন আরএমও ডা. হোসেন ইমাম, মেডিকেল অফিসার ডা. রুমন রহমান ও ডা. সুমাইয়া জান্নাত।

উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, একই বিভাগের সাবেক কর্মচারী ফজলুর রহমান ছুরিকাঘাত করে আসমা সাদিয়া রুনাকে গুরুতর আহত করার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।