ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

ঢাবি সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় -ইবি প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আবির হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুসাইন এক যৌথ বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) অন্তত ১০ জন সদস্যের ওপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আবির হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুসাইন এক যৌথ বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

​গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শাহবাগ থানা চত্বরে সংবাদ সংগ্রহকালে ডুজা’র সদস্যদের ওপর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটে। ছাত্রদলের কিছু নেতা-কর্মী প্রথমে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়, তাদের ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে। এরপর সংঘবদ্ধভাবে আক্রমণ চালিয়ে সাংবাদিকদের ওপর শারীরিকভাবে চড়াও হয়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটির সভাপতি মানজুর হোসাইন মাহি, সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম, ডেইলি অবজার্ভারের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নাঈমুর রহমান ইমন, দেশ রূপান্তরের খালিদ হাসান, ঢাকা ট্রিবিউনের সামসুদ্দোজা নবাব, ঢাকা মেইলের মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন সিফাত, নয়া দিগন্তের হারুন ইসলাম, রাইজিংবিডির সৌরভ ইসলাম, মানবজমিনের আসাদুজ্জামান খানসহ ১০ জন সাংবাদিক আহত হয়।

​বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাহবাগ থানার ভেতরে পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যেভাবে পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তা কেবল নিন্দনীয় নয় বরং স্বাধীন সাংবাদিকতার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার শামিল। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের অশালীন গালিগালাজ, ভিডিও ধারণে বাধা এবং ধারাবাহিক পরিকল্পিত শারীরিক আক্রমণ প্রমাণ করে যে, সংশ্লিষ্টরা পেশিশক্তি দিয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই ধরনের কাপুরুষোচিত হামলার মাধ্যমে সাংবাদিকদের কলম থামানো যাবে না। ভয়ভীতি দেখিয়ে সত্য প্রকাশ থেকে বিচ্যুত করার অপচেষ্টা অতীতেও সফল হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, থানার মতো জায়গায় পুলিশের সামনেই ভুজা সভাপতি মানজুর হোছাঈন মাহি ও সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলামসহ অন্তত ১০ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় পুলিশের নীরব দর্শকের ভূমিকা কেবল রহস্যজনকই নয় বরং অপেশাদারিত্বের চরম বহিঃপ্রকাশ।

এসময় তারা হামলার সাথে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ ও নীরব ভূমিকা পালনকারী শাহবাগ থানার সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের জবাবদিহিতার আওতায় আনাসহ ক্যাম্পাসে ও দেশজুড়ে সাংবাদিক নিপীড়নের যে অপসংস্কৃতি শুরু হয়েছে, তা বন্ধে সরকারকে কঠোর ও কার্যকর দৃষ্টান্ত স্থাপন করার দাবি জানান।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

ঢাবি সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় -ইবি প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:০৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) অন্তত ১০ জন সদস্যের ওপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আবির হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুসাইন এক যৌথ বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

​গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শাহবাগ থানা চত্বরে সংবাদ সংগ্রহকালে ডুজা’র সদস্যদের ওপর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটে। ছাত্রদলের কিছু নেতা-কর্মী প্রথমে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়, তাদের ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে। এরপর সংঘবদ্ধভাবে আক্রমণ চালিয়ে সাংবাদিকদের ওপর শারীরিকভাবে চড়াও হয়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটির সভাপতি মানজুর হোসাইন মাহি, সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম, ডেইলি অবজার্ভারের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নাঈমুর রহমান ইমন, দেশ রূপান্তরের খালিদ হাসান, ঢাকা ট্রিবিউনের সামসুদ্দোজা নবাব, ঢাকা মেইলের মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন সিফাত, নয়া দিগন্তের হারুন ইসলাম, রাইজিংবিডির সৌরভ ইসলাম, মানবজমিনের আসাদুজ্জামান খানসহ ১০ জন সাংবাদিক আহত হয়।

​বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাহবাগ থানার ভেতরে পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যেভাবে পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তা কেবল নিন্দনীয় নয় বরং স্বাধীন সাংবাদিকতার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার শামিল। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের অশালীন গালিগালাজ, ভিডিও ধারণে বাধা এবং ধারাবাহিক পরিকল্পিত শারীরিক আক্রমণ প্রমাণ করে যে, সংশ্লিষ্টরা পেশিশক্তি দিয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই ধরনের কাপুরুষোচিত হামলার মাধ্যমে সাংবাদিকদের কলম থামানো যাবে না। ভয়ভীতি দেখিয়ে সত্য প্রকাশ থেকে বিচ্যুত করার অপচেষ্টা অতীতেও সফল হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, থানার মতো জায়গায় পুলিশের সামনেই ভুজা সভাপতি মানজুর হোছাঈন মাহি ও সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলামসহ অন্তত ১০ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় পুলিশের নীরব দর্শকের ভূমিকা কেবল রহস্যজনকই নয় বরং অপেশাদারিত্বের চরম বহিঃপ্রকাশ।

এসময় তারা হামলার সাথে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ ও নীরব ভূমিকা পালনকারী শাহবাগ থানার সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের জবাবদিহিতার আওতায় আনাসহ ক্যাম্পাসে ও দেশজুড়ে সাংবাদিক নিপীড়নের যে অপসংস্কৃতি শুরু হয়েছে, তা বন্ধে সরকারকে কঠোর ও কার্যকর দৃষ্টান্ত স্থাপন করার দাবি জানান।