
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বাড়ির পাশের একটি জঙ্গল থেকে আব্দুল হক (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার ডান কানের লতি কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। স্বজন ও পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, তাকে হত্যা করে মরদেহটি জঙ্গলে ফেলে রাখা হতে পারে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের পূর্ব শংকরপুর গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আব্দুল হক ওই গ্রামের মৃত সোয়াব আলীর ছেলে। তিনি দাসেরবাজার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। সর্বশেষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি ওই ওয়ার্ড থেকে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুল হক। এরপর আর তিনি বাড়িতে ফেরেননি। রাতে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।
শনিবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলে আব্দুল হকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
এ সময় তার ডান কানের লতি কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায় পুলিশ।
নিহতের চাচাতো ভাই মাসুক উদ্দিন জানান, শুক্রবার দুপুরে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন আব্দুল হক। এরপর তিনি আর ফেরেননি। পরিবারের জানা মতে, কারও সঙ্গে তার কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি সহজ-সরল স্বভাবের মানুষ ছিলেন। আব্দুল হকের মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্তের দাবি জানান তিনি।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান বলেন, আব্দুল হকের ডান কানের লতি কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর মরদেহ জঙ্গলে ফেলে রাখা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাটি তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছে পুলিশ।
অধিকার ডেস্কঃ 






















