
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করার পর ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী জাতীয় দলের নির্বাচক হাবিবুল বাশার।
অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে আগামী ২৭ আগস্ট দেশে ফেরার কথা রয়েছে বাংলাদেশ দলের। সফরের প্রথম টেস্টে ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় পায় নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দল। তবে ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টে দুই দিনেই ইনিংস ও ৫১ রানের বড় ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় টেস্টে বড় ব্যবধানে হারলেও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রে ৬ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ফাইনালের লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থানকে এখনো ভালো বলেই মনে করছেন হাবিবুল বাশার।
বাংলাদেশের সামনে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই চক্রে আরও ছয়টি ম্যাচ রয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছর ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজ দিয়ে পরবর্তী পর্ব শুরু হবে। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাদের মাটিতে এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দেশের মাঠে দুটি করে টেস্ট খেলবে টাইগাররা।
ফাইনালের দৌড়ে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে বাশার বলেন, ‘আমরা এখন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে খুব ভালো অবস্থানে আছি। সামনে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট রয়েছে। এখন দেখা যাক কী হয়।’
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক টেস্ট পারফরম্যান্সেও উন্নতির ছাপ দেখছেন সাবেক এই অধিনায়ক। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইনে ঐতিহাসিক জয়কে তিনি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের অগ্রগতির উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
বাশারের মতে, শুধু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সাম্প্রতিক সিরিজ নয়, গত কয়েকটি টেস্টের ফলাফল বিবেচনা করলেও বাংলাদেশের উন্নতির চিত্র পাওয়া যায়। তবে এখনই বাংলাদেশকে বড় দল হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়ে সতর্ক তিনি।
তার ভাষায়, বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের একটি অবস্থান তৈরি করতে পেরেছে, কিন্তু আরও উন্নতির জন্য অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।
অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে সম্মান ফিরে পাওয়ার বিষয়টি দেখছেন বাশার। ডারউইনে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় এবং পরের ম্যাচে বড় ব্যবধানে হার—দুই ফল মিলিয়েও বাংলাদেশ নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিতে পেরেছে বলে মনে করেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে দলের লক্ষ্য ছিল দেশে ফেরার সময় নিজেদের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাত্রার সম্মান অর্জন করা। বাশারের মতে, সেই লক্ষ্য পূরণ করেই দেশে ফিরছে বাংলাদেশ।
অধিকার ডেস্কঃ 

























