
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে যাওয়ায় যাত্রীদের লাগেজ নিয়ে পানির মধ্য দিয়ে টার্মিনালে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে বিমান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটেছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লিগামী পাঁচটি ফ্লাইট জয়পুর, চারটি লক্ষ্ণৌ এবং একটি করে আহমেদাবাদ ও চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে বিমানবন্দরের প্রবেশপথের বড় একটি অংশ পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখা গেছে।
এক যাত্রী এএনআইকে জানান, বিমানবন্দরে এত বেশি পানি জমেছে যে তিনি আগে এমন পরিস্থিতি দেখেননি। পানি কিছুটা কমার অপেক্ষায় তিনি প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
আরেক যাত্রীও বিমানবন্দরে ব্যাপক পানি জমার কথা জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, পানি কমার অপেক্ষায় অনেক যাত্রীকে সেখানে থাকতে হচ্ছে। অন্য এক যাত্রী জানান, এর আগেও দিল্লি বিমানবন্দরের আশপাশে জলাবদ্ধতা হয়েছিল, তবে এবার বৃষ্টির মাত্রা তুলনামূলক বেশি।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) দিল্লিতে ইয়েলো অ্যালার্ট জারি করেছে। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। কিছু এলাকায় ৫০ থেকে ১০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
আইএমডি আরও জানিয়েছে, বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। কোথাও কোথাও এর গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
ভারতের রাজধানীর বিভিন্ন নিচু এলাকা ও আন্ডারপাসে পানি জমে যানজট সৃষ্টি এবং গণপরিবহনে বিলম্বের আশঙ্কা রয়েছে। বজ্রঝড়ের সময় বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তারের কাছাকাছি না যাওয়ার পাশাপাশি বাইরে বের হওয়ার আগে সড়কের যানজট ও পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
অধিকার ডেস্কঃ 
























