ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বাকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সরদার স্কিনকেয়ার করেও ত্বক উজ্জ্বল হচ্ছে না? বদলান খাদ্যাভ্যাস গাজা যুদ্ধবিরতিতে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ইসরায়েলকে বোর্ড অব পিসের তাগিদ কুমিল্লায় মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বাস খাদে, আহত ২০ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১১ ও দুই স্বাস্থ্যকর্মী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকসহ ৩ জন বহিষ্কার, আফসানার বহিষ্কারাদেশ স্থগিত বেরোবিতে প্রো-ভিসি, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রারের বাসভবন-গেস্ট হাউজ নির্মাণকাজ উদ্বোধন বাগাতিপাড়ায় পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার ৪ বোন ও ২ ভাবি ফুলপুরে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার ৩ নারী থেকে পুরুষ হওয়ার চেষ্টা, স্তন অপারেশনের পর যুবতীর মৃত্যু

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১১ ও দুই স্বাস্থ্যকর্মী

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১০:৩৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২৩৪ Time View

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত একটি এলাকা।

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে। সোমবার নাবাতিয়েহ জেলায় পৃথক হামলায় দুই স্বাস্থ্যকর্মীসহ অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ-এর তথ্যের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, নাবাতিয়েহ জেলার একটি শহরে বেসামরিক একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে দুই স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হন।

আবাসিক এলাকায় বিমান হামলা

এরপর নাবাতিয়েহ জেলার দেইর আল-জাহরানি শহরের একটি আবাসিক এলাকায় রাতের দিকে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। হামলার আগে ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, হামলার লক্ষ্য করা ভবনটি হিজবুল্লাহর একটি স্থাপনার কাছাকাছি ছিল। সেখান থেকে বিস্ফোরক বহনে সক্ষম ড্রোন উৎক্ষেপণ করা হতো বলে দাবি করেছে তারা।

এর এক দিন আগে নাবাতিয়েহের কাছের আরব সালিম শহরেও ইসরায়েলি বিমান হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় অন্তত সাতজন নিহত এবং ২০ জন আহত হন।

চুক্তির পরও থামেনি হামলা

গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি রূপরেখা চুক্তি হয়েছিল। ওই চুক্তির অংশ হিসেবে একটি ‘পাইলট জোন’ বা পরীক্ষামূলক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা হয়।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনীর মাধ্যমে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রক্রিয়া এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি পরীক্ষা করার কথা ছিল।

তবে চুক্তির পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ হয়নি। একই সঙ্গে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনীর অবস্থান অব্যাহত রয়েছে। সেনা প্রত্যাহারে ইসরায়েলের অনাগ্রহের কারণে কূটনৈতিক উদ্যোগও কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

আতঙ্কে দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দারা

দক্ষিণ লেবাননের কফর রেমান শহর থেকে আলজাজিরার প্রতিনিধি জেইনা খোদর জানিয়েছেন, হামলার কারণে পুরো অঞ্চলে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা বেড়েছে।

গত জুনের চুক্তির পর পরিস্থিতি শান্ত হবে—এমন প্রত্যাশায় বাস্তুচ্যুত অনেক মানুষ নিজেদের এলাকায় ফিরে যেতে শুরু করেছিলেন। কেউ কেউ ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পুনর্নির্মাণের কাজও শুরু করেছিলেন। কিন্তু নতুন করে হামলা শুরু হওয়ায় তাদের মধ্যে আবারও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সরদার

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১১ ও দুই স্বাস্থ্যকর্মী

প্রকাশের সময়ঃ ১০:৩৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে। সোমবার নাবাতিয়েহ জেলায় পৃথক হামলায় দুই স্বাস্থ্যকর্মীসহ অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ-এর তথ্যের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, নাবাতিয়েহ জেলার একটি শহরে বেসামরিক একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে দুই স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হন।

আবাসিক এলাকায় বিমান হামলা

এরপর নাবাতিয়েহ জেলার দেইর আল-জাহরানি শহরের একটি আবাসিক এলাকায় রাতের দিকে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। হামলার আগে ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, হামলার লক্ষ্য করা ভবনটি হিজবুল্লাহর একটি স্থাপনার কাছাকাছি ছিল। সেখান থেকে বিস্ফোরক বহনে সক্ষম ড্রোন উৎক্ষেপণ করা হতো বলে দাবি করেছে তারা।

এর এক দিন আগে নাবাতিয়েহের কাছের আরব সালিম শহরেও ইসরায়েলি বিমান হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় অন্তত সাতজন নিহত এবং ২০ জন আহত হন।

চুক্তির পরও থামেনি হামলা

গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি রূপরেখা চুক্তি হয়েছিল। ওই চুক্তির অংশ হিসেবে একটি ‘পাইলট জোন’ বা পরীক্ষামূলক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা হয়।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনীর মাধ্যমে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রক্রিয়া এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি পরীক্ষা করার কথা ছিল।

তবে চুক্তির পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ হয়নি। একই সঙ্গে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনীর অবস্থান অব্যাহত রয়েছে। সেনা প্রত্যাহারে ইসরায়েলের অনাগ্রহের কারণে কূটনৈতিক উদ্যোগও কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

আতঙ্কে দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দারা

দক্ষিণ লেবাননের কফর রেমান শহর থেকে আলজাজিরার প্রতিনিধি জেইনা খোদর জানিয়েছেন, হামলার কারণে পুরো অঞ্চলে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা বেড়েছে।

গত জুনের চুক্তির পর পরিস্থিতি শান্ত হবে—এমন প্রত্যাশায় বাস্তুচ্যুত অনেক মানুষ নিজেদের এলাকায় ফিরে যেতে শুরু করেছিলেন। কেউ কেউ ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পুনর্নির্মাণের কাজও শুরু করেছিলেন। কিন্তু নতুন করে হামলা শুরু হওয়ায় তাদের মধ্যে আবারও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।