ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
মহাসড়কে চলছে লাগামহীন চাঁদাবাজি, ভোগান্তিতে পরিবহন খাত ৬৩ বিদেশির পাসপোর্ট জমা রাখা মহসিন কোকেন পাঠানোর মামলায় গ্রেপ্তার ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সমন্বয় হলে গবেষণায় বড় পরিবর্তন আসবে: বেরোবি রেজিস্ট্রার ভালুকায় যাত্রীকে জোরপূর্বক বাসে তুলে ডাকাতি, র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ১ বগুড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও লার্ভিসাইড অভিযান মাদক সেবনের অভিযোগে লেবাননে বাশার আল-আসাদের ভাতিজা গ্রেপ্তার ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার বগুড়ায় ১৫ কোটি টাকায় নির্মাণ হচ্ছে ৬ বিপণি ভবন শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্রিকস সদস্যদের সঙ্গে কাজ করবে চীন: শি জিনপিং ফটিকছড়িতে অবৈধ বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম ধ্বংস, ২০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ

ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সমন্বয় হলে গবেষণায় বড় পরিবর্তন আসবে: বেরোবি রেজিস্ট্রার

রাজধানীর নভোথিয়েটারে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ বেরোবির উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সঙ্গে শিল্পখাতের (ইন্ডাস্ট্রি) সমন্বয় ঘটলে বাংলাদেশের গবেষণা ক্ষেত্রে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ বেরোবির উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই মেলা ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলায় বেরোবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের নির্বাচিত চারটি উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শিত হচ্ছে। প্রকল্পগুলো হলো—Silicon-based Perovskite Solar Cells, AgriTrace BD, Carbon Setu এবং DeshGuard AI।

অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির কার্যকর কোনো সমন্বয় এখনো গড়ে ওঠেনি। বর্তমান সরকার এই বিষয়টি সমন্বয়ের চেষ্টা করছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশে গবেষণার ক্ষেত্রে বিশাল পরিবর্তন আসবে।

তিনি আরও বলেন, এই সমন্বয়হীনতার কারণে বাংলাদেশের সমসাময়িক অনেক দেশ আমাদের থেকে এগিয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে শিল্পখাতের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে গবেষণার ফলাফল বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মেলায় অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে বেরোবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় বদ্ধপরিকর। ল্যাবরেটরির নতুন নতুন আবিষ্কার যখন বাণিজ্যিক বাজারে জায়গা পাবে, তখনই দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এই ইনোভেশন ফেয়ার তরুণ গবেষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা ও নেটওয়ার্ক তৈরির একটি অনন্য সুযোগ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহাসড়কে চলছে লাগামহীন চাঁদাবাজি, ভোগান্তিতে পরিবহন খাত

ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সমন্বয় হলে গবেষণায় বড় পরিবর্তন আসবে: বেরোবি রেজিস্ট্রার

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৩৩:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সঙ্গে শিল্পখাতের (ইন্ডাস্ট্রি) সমন্বয় ঘটলে বাংলাদেশের গবেষণা ক্ষেত্রে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ বেরোবির উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই মেলা ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলায় বেরোবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের নির্বাচিত চারটি উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শিত হচ্ছে। প্রকল্পগুলো হলো—Silicon-based Perovskite Solar Cells, AgriTrace BD, Carbon Setu এবং DeshGuard AI।

অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির কার্যকর কোনো সমন্বয় এখনো গড়ে ওঠেনি। বর্তমান সরকার এই বিষয়টি সমন্বয়ের চেষ্টা করছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশে গবেষণার ক্ষেত্রে বিশাল পরিবর্তন আসবে।

তিনি আরও বলেন, এই সমন্বয়হীনতার কারণে বাংলাদেশের সমসাময়িক অনেক দেশ আমাদের থেকে এগিয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে শিল্পখাতের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে গবেষণার ফলাফল বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মেলায় অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে বেরোবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় বদ্ধপরিকর। ল্যাবরেটরির নতুন নতুন আবিষ্কার যখন বাণিজ্যিক বাজারে জায়গা পাবে, তখনই দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এই ইনোভেশন ফেয়ার তরুণ গবেষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা ও নেটওয়ার্ক তৈরির একটি অনন্য সুযোগ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান।