
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে সাম্প্রতিক তিনটি আলোচিত ঘটনা তদন্ত ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ দিতে পৃথক তিনটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ডাকসুর ‘ডিইউ এভালুয়েশন’ নামে ওয়েবসাইট চালু, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ছাড়া ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে দুটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন এবং ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের ছবি প্রদর্শনের বিষয়গুলো তদন্ত করবে এসব কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১২(৩) ধারা অনুযায়ী কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
‘ডিইউ এভালুয়েশন’ ওয়েবসাইট নিয়ে তদন্ত কমিটি
ডাকসুর উদ্যোগে ‘ডিইউ এভালুয়েশন’ নামে ওয়েবসাইট চালুর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন)-কে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।
কমিটিতে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা), আইন অনুষদের ডিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের পরিচালক সদস্য হিসেবে রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
‘নির্ভীক জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে তদন্ত
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কলাভবন সংলগ্ন ডাকসু ভবনের পশ্চিম পাশে এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের বিষয়টিও তদন্ত করবে একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি।
এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন)কে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন, আইন অনুষদের ডিন ও প্রক্টর। বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট ম্যানেজার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ডাকসু সংগ্রহশালায় ছবি প্রদর্শন নিয়ে তদন্ত
ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের আলোচিত ছবি টানানোর বিষয়েও পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ কমিটিতে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আইন অনুষদের ডিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও প্রক্টর। বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট ম্যানেজার সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনটি কমিটিকেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।
অধিকার ডেস্কঃ 

























