ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী মজুরি কমিশন গঠন হয়েছে, এখন আন্দোলনের সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী টুকু মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার চেষ্টা, রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি, সতর্ক বিএনপি নেতাকর্মীরাও মিরপুর-১১-তে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, যান চলাচল স্বাভাবিক; আটক ৪ এইচএসসিতে শূন্য পাস ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে, শাস্তির মুখে শিক্ষক-প্রতিষ্ঠানপ্রধান গোপালগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজা ও ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকাসহ আটক ১ ডামুড্যায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হঠাৎ কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে ১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

কেএনএফের পোশাক তৈরিতে ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ, মামলা

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৬:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৭৪ Time View

কেএনএফের ৪০ হাজার সেট ক্যামোফ্লেজ ইউনিফর্ম তৈরিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে নাথান বমসহ নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সিআইডি।

কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) ৪০ হাজার সেট ক্যামোফ্লেজ ইউনিফর্ম তৈরিতে ১ কোটি ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের অভিযোগে সংগঠনটির প্রধান নাথান বমসহ নয়জনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলায় নাথানা লনচেও ওরফে নাথান বম, মংহলাসিন মারমা ওরফে মং, নিয়াজ হায়দার, মো. গোলাম আজম, সাহেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, জামালুল ইসলাম, মো. তৌহিদুল ইসলাম ও মো. মতিউর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মামলার বিষয়টি জানান।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাসে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী ও হালিশহর এলাকায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই অভিযানে কেএনএফের ইউনিফর্ম তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্ত তিনজনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে একটি গোডাউন ও গার্মেন্টস কারখানায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ২০ হাজার ৩০০ সেট ক্যামোফ্লেজ ইউনিফর্ম উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সিআইডি।

এরপর ইউনিফর্ম তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সংস্থাটি। তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, চেক, নগদ অর্থের লেনদেন, ক্রয়াদেশ এবং ব্যবসায়িক নথি পর্যালোচনা করা হয়।

সিআইডির দাবি, এসব নথি বিশ্লেষণ করে কেএনএফের জন্য ৪০ হাজার সেট চার রঙের ক্যামোফ্লেজ ইউনিফর্ম তৈরির ফ্যাব্রিক ও সেলাই বাবদ মোট ১ কোটি ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ক্যামোফ্লেজ ফ্যাব্রিক তৈরিতে ৯০ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইউনিফর্ম সেলাইয়ের কাজে ৭২ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিআইডি আরও জানিয়েছে, মংহলাসিন মারমার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে এসব আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলাটি করা হয়। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা মামলাটির তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে।

তদন্তে অর্থের উৎস, অর্থের প্রবাহ এবং লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

তবে মামলায় যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো এখনো তদন্তাধীন। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী

কেএনএফের পোশাক তৈরিতে ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ, মামলা

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) ৪০ হাজার সেট ক্যামোফ্লেজ ইউনিফর্ম তৈরিতে ১ কোটি ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের অভিযোগে সংগঠনটির প্রধান নাথান বমসহ নয়জনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলায় নাথানা লনচেও ওরফে নাথান বম, মংহলাসিন মারমা ওরফে মং, নিয়াজ হায়দার, মো. গোলাম আজম, সাহেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, জামালুল ইসলাম, মো. তৌহিদুল ইসলাম ও মো. মতিউর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মামলার বিষয়টি জানান।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাসে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী ও হালিশহর এলাকায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই অভিযানে কেএনএফের ইউনিফর্ম তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্ত তিনজনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে একটি গোডাউন ও গার্মেন্টস কারখানায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ২০ হাজার ৩০০ সেট ক্যামোফ্লেজ ইউনিফর্ম উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সিআইডি।

এরপর ইউনিফর্ম তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সংস্থাটি। তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, চেক, নগদ অর্থের লেনদেন, ক্রয়াদেশ এবং ব্যবসায়িক নথি পর্যালোচনা করা হয়।

সিআইডির দাবি, এসব নথি বিশ্লেষণ করে কেএনএফের জন্য ৪০ হাজার সেট চার রঙের ক্যামোফ্লেজ ইউনিফর্ম তৈরির ফ্যাব্রিক ও সেলাই বাবদ মোট ১ কোটি ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ক্যামোফ্লেজ ফ্যাব্রিক তৈরিতে ৯০ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইউনিফর্ম সেলাইয়ের কাজে ৭২ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিআইডি আরও জানিয়েছে, মংহলাসিন মারমার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে এসব আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলাটি করা হয়। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা মামলাটির তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে।

তদন্তে অর্থের উৎস, অর্থের প্রবাহ এবং লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

তবে মামলায় যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো এখনো তদন্তাধীন। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।