ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী হামের টিকা ক্রয় ও বিতরণে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিশন পোশাক শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি কার্যকর হবে ডিসেম্বর থেকে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম মালিককে গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের পূর্বানুমতি বেরোবিতে ‘জার্নাল অব লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সেস’-এর দ্বিতীয় খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক ‘অপলক’ দিয়ে বড় পর্দায় রাজীব, জুটি হচ্ছেন নিশো-মেহজাবীন জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আহ্বান মার্কিন নির্বাচনের প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে চতুর্থ শ্রেণিতে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি শিক্ষার নতুন বই, জানালেন প্রতিমন্ত্রী

ঢাবিতে নিকাব পরা ছাত্রীকে অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদ খেলাফত মজলিসের

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৪:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৬৮ Time View

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরা এক ছাত্রীকে নিয়ে মন্তব্যের অভিযোগে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক ছাত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, তাকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করা এবং ধর্মীয় পোশাকের কারণে পেছনের সারিতে বসতে বলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো শিক্ষার্থীকে তার ধর্মীয় পোশাকের কারণে অপমান করা হলে তা শুধু ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয় নয়, বরং ধর্মীয় অনুভূতির ওপরও আঘাত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাঙ্গনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে নিকাব, হিজাব বা ইসলামী পোশাককে বিদ্রূপ করা গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো শিক্ষক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি একজন শিক্ষার্থীকে ‘সন্ত্রাসী’ কিংবা ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদের অভিযোগ, ইসলামী পোশাককে পশ্চাৎপদতা, মৌলবাদ বা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করার প্রবণতা বৈষম্যমূলক মানসিকতার প্রকাশ। ধর্মীয় পোশাকের ক্ষেত্রে এক ধরনের এবং অন্য পোশাকের ক্ষেত্রে ভিন্ন মানদণ্ড প্রয়োগ করাও ব্যক্তি ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। শুধু কোর্স পরিবর্তন বা সাময়িক প্রশাসনিক পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

একই সঙ্গে তদন্ত চলাকালে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী যাতে কোনো ধরনের একাডেমিক বা প্রশাসনিক হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব বলেন, ধর্মীয় পোশাক পরা বা ধর্মীয় পরিচয় বহন করা কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাবিতে নিকাব পরা ছাত্রীকে অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদ খেলাফত মজলিসের

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক ছাত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, তাকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করা এবং ধর্মীয় পোশাকের কারণে পেছনের সারিতে বসতে বলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো শিক্ষার্থীকে তার ধর্মীয় পোশাকের কারণে অপমান করা হলে তা শুধু ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয় নয়, বরং ধর্মীয় অনুভূতির ওপরও আঘাত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাঙ্গনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে নিকাব, হিজাব বা ইসলামী পোশাককে বিদ্রূপ করা গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো শিক্ষক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি একজন শিক্ষার্থীকে ‘সন্ত্রাসী’ কিংবা ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদের অভিযোগ, ইসলামী পোশাককে পশ্চাৎপদতা, মৌলবাদ বা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করার প্রবণতা বৈষম্যমূলক মানসিকতার প্রকাশ। ধর্মীয় পোশাকের ক্ষেত্রে এক ধরনের এবং অন্য পোশাকের ক্ষেত্রে ভিন্ন মানদণ্ড প্রয়োগ করাও ব্যক্তি ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। শুধু কোর্স পরিবর্তন বা সাময়িক প্রশাসনিক পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

একই সঙ্গে তদন্ত চলাকালে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী যাতে কোনো ধরনের একাডেমিক বা প্রশাসনিক হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব বলেন, ধর্মীয় পোশাক পরা বা ধর্মীয় পরিচয় বহন করা কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।