ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী হামের টিকা ক্রয় ও বিতরণে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিশন পোশাক শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি কার্যকর হবে ডিসেম্বর থেকে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম মালিককে গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের পূর্বানুমতি বেরোবিতে ‘জার্নাল অব লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সেস’-এর দ্বিতীয় খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক ‘অপলক’ দিয়ে বড় পর্দায় রাজীব, জুটি হচ্ছেন নিশো-মেহজাবীন জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আহ্বান মার্কিন নির্বাচনের প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে চতুর্থ শ্রেণিতে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি শিক্ষার নতুন বই, জানালেন প্রতিমন্ত্রী

বাঁশপাতার চায়ের ব্যবসায়িক ধারণায় জাতীয় পর্যায়ে প্রথম বেরোবির দুই শিক্ষার্থী

বাঁশপাতার চায়ের ব্যবসায়িক ধারণায় জাতীয় পর্যায়ে প্রথম হয়েছেন বেরোবির শিক্ষার্থী মাহিদ ও আজিজ।

বাঁশপাতা দিয়ে পরিবেশবান্ধব চা তৈরির উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণা উপস্থাপন করে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) দুই শিক্ষার্থী। এ অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের উদ্যোগ বাস্তবায়নে এক লাখ টাকার ফান্ড দেওয়া হবে।

বিজয়ী দুই শিক্ষার্থী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১৪তম ব্যাচের মাহিদ ও আজিজ। যৌথভাবে তারা বাঁশপাতাকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব চা উৎপাদনের ধারণা তুলে ধরেন।

জানা গেছে, বাঁশপাতার সম্ভাবনাময় ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা ভেবে এই উদ্যোগের পরিকল্পনা করেন মাহিদ। পরে সহপাঠী আজিজকে নিয়ে তিনি প্রতিযোগিতায় আবেদন করেন। প্রাথমিক বাছাইয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর তারা বুটক্যাম্পে অংশ নেন। চূড়ান্ত পর্বে নিজেদের ধারণা উপস্থাপন করে সারা দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম হন তারা।

বিজয়ী শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে ইউনিলিভার, গ্রিন ভয়েস, দ্য আর্থ সোসাইটি ও ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা ছিলেন।

উদ্যোগ নিয়ে মাহিদ বলেন, হঠাৎ করেই তাদের মাথায় আসে, বাংলাদেশে বাঁশপাতার চা নিয়ে কাজ করা যায় কি না। বিশ্বজুড়ে এ ধরনের সম্ভাবনাময় পণ্যের বাজার আছে। সেই ভাবনা থেকেই আজিজকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আবেদন করেন। পরে নির্বাচিত হয়ে বুটক্যাম্পে অংশ নেন এবং শেষ পর্যন্ত প্রথম স্থান অর্জন করেন।

তিনি আরও বলেন, বাঁশপাতা পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাকৃতিক সম্পদ। এতে সিলিকা, পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তারা পরিবেশবান্ধব একটি চা বাজারে আনতে চান।

উদ্যোক্তাদের দাবি, স্বাস্থ্যসচেতন ভোক্তাদের জন্য বাঁশপাতার চা একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প পানীয় হতে পারে। তবে এর পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং বাণিজ্যিক উৎপাদনের উপযোগিতা নির্ধারণে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।

জাতীয় পর্যায়ে প্রথম হওয়া এবং এক লাখ টাকার ফান্ড পাওয়াকে নিজেদের উদ্যোগ বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন মাহিদ ও আজিজ। তাদের প্রত্যাশা, যথাযথ গবেষণা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে বাঁশপাতার মতো সহজলভ্য প্রাকৃতিক উপাদান কাজে লাগিয়ে দেশে নতুন ধরনের পরিবেশবান্ধব পণ্যের বাজার তৈরি করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাঁশপাতার চায়ের ব্যবসায়িক ধারণায় জাতীয় পর্যায়ে প্রথম বেরোবির দুই শিক্ষার্থী

প্রকাশের সময়ঃ ১২:২৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বাঁশপাতা দিয়ে পরিবেশবান্ধব চা তৈরির উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণা উপস্থাপন করে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) দুই শিক্ষার্থী। এ অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের উদ্যোগ বাস্তবায়নে এক লাখ টাকার ফান্ড দেওয়া হবে।

বিজয়ী দুই শিক্ষার্থী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১৪তম ব্যাচের মাহিদ ও আজিজ। যৌথভাবে তারা বাঁশপাতাকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব চা উৎপাদনের ধারণা তুলে ধরেন।

জানা গেছে, বাঁশপাতার সম্ভাবনাময় ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা ভেবে এই উদ্যোগের পরিকল্পনা করেন মাহিদ। পরে সহপাঠী আজিজকে নিয়ে তিনি প্রতিযোগিতায় আবেদন করেন। প্রাথমিক বাছাইয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর তারা বুটক্যাম্পে অংশ নেন। চূড়ান্ত পর্বে নিজেদের ধারণা উপস্থাপন করে সারা দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম হন তারা।

বিজয়ী শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে ইউনিলিভার, গ্রিন ভয়েস, দ্য আর্থ সোসাইটি ও ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা ছিলেন।

উদ্যোগ নিয়ে মাহিদ বলেন, হঠাৎ করেই তাদের মাথায় আসে, বাংলাদেশে বাঁশপাতার চা নিয়ে কাজ করা যায় কি না। বিশ্বজুড়ে এ ধরনের সম্ভাবনাময় পণ্যের বাজার আছে। সেই ভাবনা থেকেই আজিজকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আবেদন করেন। পরে নির্বাচিত হয়ে বুটক্যাম্পে অংশ নেন এবং শেষ পর্যন্ত প্রথম স্থান অর্জন করেন।

তিনি আরও বলেন, বাঁশপাতা পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাকৃতিক সম্পদ। এতে সিলিকা, পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তারা পরিবেশবান্ধব একটি চা বাজারে আনতে চান।

উদ্যোক্তাদের দাবি, স্বাস্থ্যসচেতন ভোক্তাদের জন্য বাঁশপাতার চা একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প পানীয় হতে পারে। তবে এর পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং বাণিজ্যিক উৎপাদনের উপযোগিতা নির্ধারণে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।

জাতীয় পর্যায়ে প্রথম হওয়া এবং এক লাখ টাকার ফান্ড পাওয়াকে নিজেদের উদ্যোগ বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন মাহিদ ও আজিজ। তাদের প্রত্যাশা, যথাযথ গবেষণা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে বাঁশপাতার মতো সহজলভ্য প্রাকৃতিক উপাদান কাজে লাগিয়ে দেশে নতুন ধরনের পরিবেশবান্ধব পণ্যের বাজার তৈরি করা সম্ভব হবে।