ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
একসঙ্গে নিভল পাঁচ শিশুর প্রাণের প্রদীপ- পাশাপাশি কবরে শায়িত যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো নারী আসামি কেরানীগঞ্জে আটক রংপুরে ৪ খুন-গাফিলতির কোন সুযোগ নেই, আশ্বাস নতুন পুলিশ কমিশনারের নেপালের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন- দেশে ফিরে অপু বিশ্বাস টঙ্গীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে আটক ৩ গাজীপুরে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে শ্বশুরকে কুপিয়ে হত্যা রূপগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবন থেকে ৫ পাইপগান ও সাড়ে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপুরে চুরির অভিযোগে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল কারওয়ান বাজারে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে অগ্নিকাণ্ড, স্থানীয়দের তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণ গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেল-বাসের ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত ৪০

আট বিভাগে আদালত মনিটরিংয়ে হাইকোর্টের ১৩ বিচারপতি

মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় পিছিয়ে সোমবার নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।ফাইল ছবি।

অধস্তন আদালতের কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য দেশের আটটি বিভাগের দায়িত্বে হাইকোর্ট বিভাগের ১৩ জন বিচারপতিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রধান বিচারপতির নির্দেশে এ বিষয়ে পুনর্গঠন করা কমিটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন বিভাগের জেলা আদালতগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য ‘মনিটরিং কমিটি ফর সাব-অর্ডিনেট কোর্টস’ পুনর্গঠন করা হয়েছে। এর আওতায় হাইকোর্ট বিভাগের একেকজন বিচারপতিকে নির্দিষ্ট জেলা ও বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় ১৩ জন কর্মকর্তাকে সাচিবিক সহায়তার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

বিভাগভিত্তিক দায়িত্ব অনুযায়ী বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলার জন্য পৃথক পৃথক বিচারপতিকে মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বরিশাল বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন। ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন অংশে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি ফাতেমা নজীব দায়িত্ব পালন করবেন। খুলনা বিভাগের দুই অংশে দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি মো. জাফর আহমেদ।

চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল, রাজশাহী বিভাগের জন্য বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন।

রংপুর বিভাগের দুই অংশে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার এবং বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমকে। ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং সিলেট বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে অধস্তন আদালতের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে তদারকি ও মনিটরিং করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

একসঙ্গে নিভল পাঁচ শিশুর প্রাণের প্রদীপ- পাশাপাশি কবরে শায়িত

আট বিভাগে আদালত মনিটরিংয়ে হাইকোর্টের ১৩ বিচারপতি

প্রকাশের সময়ঃ ১১:৪৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

অধস্তন আদালতের কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য দেশের আটটি বিভাগের দায়িত্বে হাইকোর্ট বিভাগের ১৩ জন বিচারপতিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রধান বিচারপতির নির্দেশে এ বিষয়ে পুনর্গঠন করা কমিটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন বিভাগের জেলা আদালতগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য ‘মনিটরিং কমিটি ফর সাব-অর্ডিনেট কোর্টস’ পুনর্গঠন করা হয়েছে। এর আওতায় হাইকোর্ট বিভাগের একেকজন বিচারপতিকে নির্দিষ্ট জেলা ও বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় ১৩ জন কর্মকর্তাকে সাচিবিক সহায়তার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

বিভাগভিত্তিক দায়িত্ব অনুযায়ী বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলার জন্য পৃথক পৃথক বিচারপতিকে মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বরিশাল বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন। ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন অংশে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি ফাতেমা নজীব দায়িত্ব পালন করবেন। খুলনা বিভাগের দুই অংশে দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি মো. জাফর আহমেদ।

চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল, রাজশাহী বিভাগের জন্য বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন।

রংপুর বিভাগের দুই অংশে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার এবং বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমকে। ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং সিলেট বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে অধস্তন আদালতের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে তদারকি ও মনিটরিং করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।