ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

আট বিভাগে আদালত মনিটরিংয়ে হাইকোর্টের ১৩ বিচারপতি

ফাইল ছবি।

অধস্তন আদালতের কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য দেশের আটটি বিভাগের দায়িত্বে হাইকোর্ট বিভাগের ১৩ জন বিচারপতিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রধান বিচারপতির নির্দেশে এ বিষয়ে পুনর্গঠন করা কমিটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন বিভাগের জেলা আদালতগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য ‘মনিটরিং কমিটি ফর সাব-অর্ডিনেট কোর্টস’ পুনর্গঠন করা হয়েছে। এর আওতায় হাইকোর্ট বিভাগের একেকজন বিচারপতিকে নির্দিষ্ট জেলা ও বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় ১৩ জন কর্মকর্তাকে সাচিবিক সহায়তার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

বিভাগভিত্তিক দায়িত্ব অনুযায়ী বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলার জন্য পৃথক পৃথক বিচারপতিকে মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বরিশাল বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন। ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন অংশে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি ফাতেমা নজীব দায়িত্ব পালন করবেন। খুলনা বিভাগের দুই অংশে দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি মো. জাফর আহমেদ।

চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল, রাজশাহী বিভাগের জন্য বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন।

রংপুর বিভাগের দুই অংশে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার এবং বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমকে। ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং সিলেট বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে অধস্তন আদালতের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে তদারকি ও মনিটরিং করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

আট বিভাগে আদালত মনিটরিংয়ে হাইকোর্টের ১৩ বিচারপতি

প্রকাশের সময়ঃ ১১:৪৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

অধস্তন আদালতের কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য দেশের আটটি বিভাগের দায়িত্বে হাইকোর্ট বিভাগের ১৩ জন বিচারপতিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রধান বিচারপতির নির্দেশে এ বিষয়ে পুনর্গঠন করা কমিটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন বিভাগের জেলা আদালতগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য ‘মনিটরিং কমিটি ফর সাব-অর্ডিনেট কোর্টস’ পুনর্গঠন করা হয়েছে। এর আওতায় হাইকোর্ট বিভাগের একেকজন বিচারপতিকে নির্দিষ্ট জেলা ও বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় ১৩ জন কর্মকর্তাকে সাচিবিক সহায়তার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

বিভাগভিত্তিক দায়িত্ব অনুযায়ী বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলার জন্য পৃথক পৃথক বিচারপতিকে মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বরিশাল বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন। ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন অংশে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি ফাতেমা নজীব দায়িত্ব পালন করবেন। খুলনা বিভাগের দুই অংশে দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি মো. জাফর আহমেদ।

চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল, রাজশাহী বিভাগের জন্য বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন।

রংপুর বিভাগের দুই অংশে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার এবং বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমকে। ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং সিলেট বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে অধস্তন আদালতের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে তদারকি ও মনিটরিং করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।