ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
‘জুলাই শহীদদের জন্য কী করেছেন?’-ইশরাকের প্রশ্নের জবাবে যা বললেন সারজিস আলম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সাংবাদিকের ওপর বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাকর্মীর হামলা- প্রতিবাদে মানববন্ধন রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কা, পাওয়ার টিলারচালক যুবকের প্রাণহানি ফার্নিচার দোকানে কেমিক্যাল ড্রাম বিস্ফোরণে শিশু শ্রমিকের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে শিক্ষার্থীকে গাছের চারা বিতরণ বাগাতিপাড়ায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত দেশের মাটিতে আর কোনো ফ্যাসিস্টের ঠাঁই হবে না- নাটোরে হুইপ দুলু যুক্তরাষ্ট্রে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি’র সুযোগ পেলেন বেরোবি শিক্ষার্থী ইমন বাগাতিপাড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বিএনপির আলোচনা সভা ও তৃণমূল মতবিনিময়

‘কিছু মানুষ শুধু তারকা নন, হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকেন’

শাবনূর ও পূর্ণিমা। ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ছবি।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় দুই অভিনেত্রী শাবনূর ও দিলারা হানিফ পূর্ণিমার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আবারও সামনে এসেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাবনূরের সঙ্গে কাটানো কিছু পুরোনো স্মৃতির ভিডিও প্রকাশ করে তাকে নিয়ে আবেগঘন অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন পূর্ণিমা।

পোস্টে পূর্ণিমা উল্লেখ করেন, কিছু শিল্পী শুধু পর্দার তারকা হয়ে থাকেন না, বরং তাদের কাজ ও ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেন। তার ভাষায়, শাবনূর বাংলা চলচ্চিত্রের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি অভিনয়জীবনের সাফল্যের পাশাপাশি একজন আন্তরিক ও মানবিক মানুষ হিসেবেও বিশেষভাবে সম্মানিত।

পুরোনো স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে পূর্ণিমা জানান, কয়েক বছর আগে শাবনূরের সঙ্গে কাটানো একটি বিশেষ মুহূর্ত এখনও তার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। তিনি বলেন, বাংলা চলচ্চিত্রে শাবনূরের অবদান যেমন স্মরণীয়, তেমনি ব্যক্তি হিসেবেও তিনি অসাধারণ।

পোস্টের শেষাংশে শাবনূরের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পূর্ণিমা জানান, বড় পর্দায় এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে তিনি ভীষণভাবে মিস করেন।

উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগে পারিবারিক সফরে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে গেলে পূর্ণিমাকে নিজ বাসভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন শাবনূর। সেই সাক্ষাতের স্মৃতিও এখনও দুজনের ভক্তদের কাছে আলোচিত।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে পূর্ণিমা স্পষ্ট করে বলেছিলেন, তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা দূরত্বের যে গুঞ্জন রয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। বরং তিনি শাবনূরকে নিজের অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন। পূর্ণিমার মতে, অভিনয়ে শাবনূরের দক্ষতা ও জনপ্রিয়তা নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই অনুসরণীয় উদাহরণ।

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই জনপ্রিয় নায়িকার এই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্য ভক্তদের মাঝেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জুলাই শহীদদের জন্য কী করেছেন?’-ইশরাকের প্রশ্নের জবাবে যা বললেন সারজিস আলম

‘কিছু মানুষ শুধু তারকা নন, হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকেন’

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:১৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় দুই অভিনেত্রী শাবনূর ও দিলারা হানিফ পূর্ণিমার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আবারও সামনে এসেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাবনূরের সঙ্গে কাটানো কিছু পুরোনো স্মৃতির ভিডিও প্রকাশ করে তাকে নিয়ে আবেগঘন অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন পূর্ণিমা।

পোস্টে পূর্ণিমা উল্লেখ করেন, কিছু শিল্পী শুধু পর্দার তারকা হয়ে থাকেন না, বরং তাদের কাজ ও ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেন। তার ভাষায়, শাবনূর বাংলা চলচ্চিত্রের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি অভিনয়জীবনের সাফল্যের পাশাপাশি একজন আন্তরিক ও মানবিক মানুষ হিসেবেও বিশেষভাবে সম্মানিত।

পুরোনো স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে পূর্ণিমা জানান, কয়েক বছর আগে শাবনূরের সঙ্গে কাটানো একটি বিশেষ মুহূর্ত এখনও তার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। তিনি বলেন, বাংলা চলচ্চিত্রে শাবনূরের অবদান যেমন স্মরণীয়, তেমনি ব্যক্তি হিসেবেও তিনি অসাধারণ।

পোস্টের শেষাংশে শাবনূরের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পূর্ণিমা জানান, বড় পর্দায় এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে তিনি ভীষণভাবে মিস করেন।

উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগে পারিবারিক সফরে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে গেলে পূর্ণিমাকে নিজ বাসভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন শাবনূর। সেই সাক্ষাতের স্মৃতিও এখনও দুজনের ভক্তদের কাছে আলোচিত।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে পূর্ণিমা স্পষ্ট করে বলেছিলেন, তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা দূরত্বের যে গুঞ্জন রয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। বরং তিনি শাবনূরকে নিজের অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন। পূর্ণিমার মতে, অভিনয়ে শাবনূরের দক্ষতা ও জনপ্রিয়তা নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই অনুসরণীয় উদাহরণ।

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই জনপ্রিয় নায়িকার এই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্য ভক্তদের মাঝেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।