ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ফাইল ছবি।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ এখনো পুরোপুরি উদ্ধার না হওয়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জনস্বার্থে এই রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।

রিটে মন্ত্রিপরিষদসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাবের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, জুলাই ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কার্যালয় থেকে প্রায় ৫ হাজার ৭৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ লাখ ৫১ হাজার ৬০৯ রাউন্ড গোলাবারুদ লুট হয়। সরকারের পক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা করা হলেও এখনো এর একটি বড় অংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

রিটে উল্লেখ করা হয়, বিপুল পরিমাণ এই অবৈধ অস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে থাকায় আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ভোটার ও প্রার্থীদের জীবন চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। ইতোমধ্যে ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনা এই আশঙ্কাকে আরও জোরালো করেছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ নিজেও নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারকে অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন। যদিও সরকার কিছু সংসদ সদস্য প্রার্থীর জন্য গানম্যানের ব্যবস্থা করেছে, তবে দেশের সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এই অবস্থায় লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার এবং নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত না করে নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার ও প্রার্থীদের মৌলিক অধিকার তথা ‘জীবনের অধিকার’-এর চরম লঙ্ঘন হবে বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ এখনো পুরোপুরি উদ্ধার না হওয়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জনস্বার্থে এই রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।

রিটে মন্ত্রিপরিষদসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাবের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, জুলাই ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কার্যালয় থেকে প্রায় ৫ হাজার ৭৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ লাখ ৫১ হাজার ৬০৯ রাউন্ড গোলাবারুদ লুট হয়। সরকারের পক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা করা হলেও এখনো এর একটি বড় অংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

রিটে উল্লেখ করা হয়, বিপুল পরিমাণ এই অবৈধ অস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে থাকায় আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ভোটার ও প্রার্থীদের জীবন চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। ইতোমধ্যে ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনা এই আশঙ্কাকে আরও জোরালো করেছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ নিজেও নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারকে অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন। যদিও সরকার কিছু সংসদ সদস্য প্রার্থীর জন্য গানম্যানের ব্যবস্থা করেছে, তবে দেশের সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এই অবস্থায় লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার এবং নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত না করে নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার ও প্রার্থীদের মৌলিক অধিকার তথা ‘জীবনের অধিকার’-এর চরম লঙ্ঘন হবে বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।