ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

ইরানের ওপর হামলার জবাবের ঘোষণা হিজবুল্লাহর

লেবানন হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাইম কাসেম

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে লেবাননভিত্তিক শিয়া সংগঠন হিজবুল্লাহ

এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব নাইম কাসেম বলেন, তারা “সম্মান ও প্রতিরোধের ক্ষেত্র ত্যাগ করবে না” এবং চলমান আগ্রাসনের মোকাবিলায় নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে। তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি–এর ওপর হামলাকে “অপরাধের সর্বোচ্চ মাত্রা” হিসেবে আখ্যা দেন।

নাইম কাসেম আরও বলেন, সৃষ্টিকর্তার নির্দেশনা ও সমর্থনের ওপর আস্থা রেখেই তারা এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করবেন।

সম্প্রতি ইরান–কে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েল–এর সামরিক পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।

হিজবুল্লাহ লেবাননের একটি প্রভাবশালী শিয়া রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন। ১৯৮০–এর দশকের গোড়ার দিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি উপস্থিতির সময় ইরানের সমর্থনে সংগঠনটির উত্থান ঘটে। পরবর্তীতে তারা কেবল সশস্ত্র সংগঠন হিসেবেই নয়, রাজনৈতিক শক্তি হিসেবেও নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করে।

১৯৯২ সাল থেকে লেবানন–এর জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আসছে সংগঠনটি এবং দেশটির রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ওপর হামলার জবাবের ঘোষণা হিজবুল্লাহর

প্রকাশের সময়ঃ ০১:১২:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে লেবাননভিত্তিক শিয়া সংগঠন হিজবুল্লাহ

এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব নাইম কাসেম বলেন, তারা “সম্মান ও প্রতিরোধের ক্ষেত্র ত্যাগ করবে না” এবং চলমান আগ্রাসনের মোকাবিলায় নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে। তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি–এর ওপর হামলাকে “অপরাধের সর্বোচ্চ মাত্রা” হিসেবে আখ্যা দেন।

নাইম কাসেম আরও বলেন, সৃষ্টিকর্তার নির্দেশনা ও সমর্থনের ওপর আস্থা রেখেই তারা এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করবেন।

সম্প্রতি ইরান–কে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েল–এর সামরিক পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।

হিজবুল্লাহ লেবাননের একটি প্রভাবশালী শিয়া রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন। ১৯৮০–এর দশকের গোড়ার দিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি উপস্থিতির সময় ইরানের সমর্থনে সংগঠনটির উত্থান ঘটে। পরবর্তীতে তারা কেবল সশস্ত্র সংগঠন হিসেবেই নয়, রাজনৈতিক শক্তি হিসেবেও নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করে।

১৯৯২ সাল থেকে লেবানন–এর জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আসছে সংগঠনটি এবং দেশটির রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।