ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে ৫ প্রার্থীর মামলা

ফাইল ছবি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে পাঁচটি আসনের পরাজিত প্রার্থী হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। বুধবার (১১ মার্চ) তারা পৃথকভাবে এসব মামলা করেন।

মামলাকারীদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-১৩ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হক এবং গাইবান্ধা-৫, ঢাকা-৫, পাবনা-৩ ও কুষ্টিয়া-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা।

ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি ভোট। ফলাফল নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

অন্যদিকে গাইবান্ধা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুল ওয়ারেছ ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট। ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনিও মামলা করেছেন।

ঢাকা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট। এই আসনের ফল নিয়েও আদালতে মামলা করা হয়েছে।

এছাড়া কুষ্টিয়া-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আফজাল হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ২০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ধানের শীষ প্রতীকে পান ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬০৩ ভোট। ফলাফল নিয়ে আপত্তি তুলে তিনিও আদালতে আবেদন করেছেন।

মামলাকারীরা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়ম, কারচুপি ও ভোট গণনায় অসঙ্গতি হয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত ও ফলাফল পুনর্বিবেচনার দাবিতে তারা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে আদালতের আদেশের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে ৫ প্রার্থীর মামলা

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:১২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে পাঁচটি আসনের পরাজিত প্রার্থী হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। বুধবার (১১ মার্চ) তারা পৃথকভাবে এসব মামলা করেন।

মামলাকারীদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-১৩ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হক এবং গাইবান্ধা-৫, ঢাকা-৫, পাবনা-৩ ও কুষ্টিয়া-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা।

ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি ভোট। ফলাফল নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

অন্যদিকে গাইবান্ধা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুল ওয়ারেছ ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট। ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনিও মামলা করেছেন।

ঢাকা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট। এই আসনের ফল নিয়েও আদালতে মামলা করা হয়েছে।

এছাড়া কুষ্টিয়া-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আফজাল হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ২০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ধানের শীষ প্রতীকে পান ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬০৩ ভোট। ফলাফল নিয়ে আপত্তি তুলে তিনিও আদালতে আবেদন করেছেন।

মামলাকারীরা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়ম, কারচুপি ও ভোট গণনায় অসঙ্গতি হয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত ও ফলাফল পুনর্বিবেচনার দাবিতে তারা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে আদালতের আদেশের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।