ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ তাহসিফ হত্যা মামলা: দীপকে ফের ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতার চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী মজুরি কমিশন গঠন হয়েছে, এখন আন্দোলনের সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী টুকু মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার চেষ্টা, রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি, সতর্ক বিএনপি নেতাকর্মীরাও মিরপুর-১১-তে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, যান চলাচল স্বাভাবিক; আটক ৪ এইচএসসিতে শূন্য পাস ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে, শাস্তির মুখে শিক্ষক-প্রতিষ্ঠানপ্রধান গোপালগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজা ও ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকাসহ আটক ১

ময়মনসিংহে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। আজ দুপুরে তোলা ছবি

দেশের স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তাঁর দাবি, দীর্ঘ ১৭ বছরে এ খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে এবং লুটপাটের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাপনা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এ খাতে গতি ফিরিয়ে আনতে এবং সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার দিনরাত কাজ করছে বলে জানান তিনি।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় সব জেলা হাসপাতালের পরিস্থিতি একই রকম। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯৭৯ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯ শয্যার উপজেলা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে এসব হাসপাতালের শয্যা ৫০-এ উন্নীত হয়। এরপর আর কোনো সরকার শয্যাসংখ্যা বাড়ায়নি বলে দাবি করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ১৫১-এ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি বাস্তবায়নে সরকার দ্রুত কাজ করছে। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে দেখার সময় বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও রোগীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের ডেঙ্গু, হামসহ বিভিন্ন রোগের ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এ সময় চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ঠিকমতো পাচ্ছেন কি না, তা জানতে চান।

এ সময় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার কামরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শনিবার সকালে মন্ত্রী ময়মনসিংহের ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে হাসপাতালের শয্যা বাড়বে, রোগীদের ভোগান্তি কমবে এবং চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়বে। তবে ঘোষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ, ওষুধ সরবরাহ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করাই স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে মূল চ্যালেঞ্জ হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ

ময়মনসিংহে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:০২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

দেশের স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তাঁর দাবি, দীর্ঘ ১৭ বছরে এ খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে এবং লুটপাটের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাপনা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এ খাতে গতি ফিরিয়ে আনতে এবং সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার দিনরাত কাজ করছে বলে জানান তিনি।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় সব জেলা হাসপাতালের পরিস্থিতি একই রকম। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯৭৯ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯ শয্যার উপজেলা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে এসব হাসপাতালের শয্যা ৫০-এ উন্নীত হয়। এরপর আর কোনো সরকার শয্যাসংখ্যা বাড়ায়নি বলে দাবি করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ১৫১-এ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি বাস্তবায়নে সরকার দ্রুত কাজ করছে। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে দেখার সময় বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও রোগীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের ডেঙ্গু, হামসহ বিভিন্ন রোগের ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এ সময় চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ঠিকমতো পাচ্ছেন কি না, তা জানতে চান।

এ সময় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার কামরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শনিবার সকালে মন্ত্রী ময়মনসিংহের ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে হাসপাতালের শয্যা বাড়বে, রোগীদের ভোগান্তি কমবে এবং চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়বে। তবে ঘোষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ, ওষুধ সরবরাহ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করাই স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে মূল চ্যালেঞ্জ হবে।