ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক ‘অপলক’ দিয়ে বড় পর্দায় রাজীব, জুটি হচ্ছেন নিশো-মেহজাবীন জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আহ্বান মার্কিন নির্বাচনের প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে চতুর্থ শ্রেণিতে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি শিক্ষার নতুন বই, জানালেন প্রতিমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধাক্কা, ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাব কি কমছে? খাদ্য অপচয় কমাতে সব মন্ত্রণালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান পোশাকশ্রমিকদের দাবি পূরণে সরকারের প্রতি শফিকুর রহমানের আহ্বান চট্টগ্রামে শ্রমিক হত্যা ও মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির মশাল মিছিল টেস্ট বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে অবনতি তাইজুল ও মিরাজের

বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সান্ধ্য আইন’ প্রতিষ্ঠার খবর গুজব: ইবি উপাচার্য

  • ইবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৪:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৬১ Time View

ইবিতে সান্ধ্য আইন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ইবি উপাচার্য, সান্ধ্য আইন গুজব, এ কে এম মতিনুর রহমান

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘সান্ধ্য আইন’ নামে নতুন কোনো আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠার বিষয়ে প্রশাসন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত প্রচারিত খবরকে গুজব আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের চতুর্থ তলায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লক্ষ্য করেছি, সান্ধ্য আইন নামে একটি আইন বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে অথবা হতে যাচ্ছে এমন কিছু সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেয়নি কিংবা এমন কোনো চিন্তা অনুমোদন করেনি। যে প্রচারগুলো হচ্ছে, সেগুলো গুজব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, ২০১০ সালের মিছিল ও বিভিন্ন কর্মসূচির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে সেগুলোকে ২০২৬ সালের ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে প্রচারের চেষ্টা করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় গুজব সংবাদ পরিবেশন করা হয়, যা সাময়িকভাবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থী হিসেবে যেকোনো সংবাদের সত্যতা, তথ্যপ্রমাণ ও ভিত্তি যাচাই করা জরুরি। যথাযথভাবে নিশ্চিত না হয়ে এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমি মনে করি, যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের দেশের প্রতি মমত্ববোধ ও স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘কোনো বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংশয়, আশঙ্কা কিংবা প্রশ্ন তৈরি হলে তা সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি অথবা হলের প্রভোস্টের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানাতে হবে। আমরা অবশ্যই বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সমাধানের চেষ্টা করব। সচেতন নাগরিক ও শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।’

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। পাশাপাশি কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দেশসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান। পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও স্মারক প্রদান করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক

বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সান্ধ্য আইন’ প্রতিষ্ঠার খবর গুজব: ইবি উপাচার্য

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘সান্ধ্য আইন’ নামে নতুন কোনো আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠার বিষয়ে প্রশাসন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত প্রচারিত খবরকে গুজব আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের চতুর্থ তলায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লক্ষ্য করেছি, সান্ধ্য আইন নামে একটি আইন বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে অথবা হতে যাচ্ছে এমন কিছু সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেয়নি কিংবা এমন কোনো চিন্তা অনুমোদন করেনি। যে প্রচারগুলো হচ্ছে, সেগুলো গুজব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, ২০১০ সালের মিছিল ও বিভিন্ন কর্মসূচির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে সেগুলোকে ২০২৬ সালের ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে প্রচারের চেষ্টা করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় গুজব সংবাদ পরিবেশন করা হয়, যা সাময়িকভাবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থী হিসেবে যেকোনো সংবাদের সত্যতা, তথ্যপ্রমাণ ও ভিত্তি যাচাই করা জরুরি। যথাযথভাবে নিশ্চিত না হয়ে এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমি মনে করি, যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের দেশের প্রতি মমত্ববোধ ও স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘কোনো বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংশয়, আশঙ্কা কিংবা প্রশ্ন তৈরি হলে তা সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি অথবা হলের প্রভোস্টের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানাতে হবে। আমরা অবশ্যই বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সমাধানের চেষ্টা করব। সচেতন নাগরিক ও শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।’

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। পাশাপাশি কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দেশসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান। পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও স্মারক প্রদান করা হয়।