ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেলের মিরপুর-১১ স্টেশন গার্মেন্টস শ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩৩ নগরকান্দায় ব্রিজের সংযোগ সড়ক ধসে মরণফাঁদ, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল ইরানযুদ্ধের প্রভাবে চাপে মার্কিন নৌবহর, মেরামতে লাগবে কয়েক বছর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক উত্তেজনা বাড়ালে পরিণতি ভয়াবহ হবে: রাশিয়ার হুঁশিয়ারি ২০২৭ বিশ্বকাপের টিকিটের আবেদন ১২ কোটি ছাড়াল, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে সর্বোচ্চ আগ্রহ গাজায় তথ্য বিকৃতির কথা স্বীকার করলেন ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক মুখপাত্র ঢাকার আগারগাঁও থেকে গ্রেপ্তার সাবেক হুইপ নজরুল ইসলাম বাবুর এপিএস জামিনে মুক্ত মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাল জামায়াত শ্রীনগরে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার সিএনজিচালক, গাড়ি জব্দ

যুদ্ধ শুরু হলে পরমাণু অস্ত্র নীতি পুনর্বিবেচনার আলোচনা ইরানে

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৭:৫৬:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ১২৪০ Time View

পারমাণবিক অস্ত্রবিরোধী নীতি বহাল রাখা হবে কি না, তা নিয়ে ইরানে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মহসেন রেজাই।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার যুদ্ধ বা বৈরিতা শুরু হলে দীর্ঘদিনের পারমাণবিক অস্ত্রবিরোধী নীতি বহাল রাখা হবে কি না, তা নিয়ে ইরানের অভ্যন্তরে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন দেশটির নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মহসেন রেজাই।

শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরুর বিষয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান ও বক্তব্যে পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন রেজাই।

ভ্যান্সের চিঠিতে আলোচনার প্রস্তাব

কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে গত সপ্তাহে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মহসেন রেজাইয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা চিঠিটি রেজাইয়ের কাছে পৌঁছে দেন। এতে ভ্যান্সের নেতৃত্বে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। আলোচনার শুরু থেকেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে প্রধান বিষয় হিসেবে রাখার প্রস্তাবও ছিল।

রেজাই বলেন, তিনি চিঠিটি পড়েছেন, তবে এখনো কোনো জবাব দেননি। তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য ও মনোভাব আগের তুলনায় অনেকটাই বদলে গেছে। এ পরিবর্তনকে তিনি ‘ভালো লক্ষণ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, এটি প্রমাণ করে ইরান নিজেদের বিজয় সুসংহত করেছে।

ইরানের দাবিকে আলোচনার পূর্বশর্ত

চিঠির বিস্তারিত বিষয়বস্তু নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি রেজাই। তবে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দাবিগুলো পূরণ করার পরই কেবল পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

কাতারের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে শনিবার এর আগে ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

পারমাণবিক অস্ত্রবিরোধী নীতি পুনর্বিবেচনার বিষয়ে ইরানে আলোচনা চলার খবর এমন সময়ে সামনে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নানা তৎপরতা চলছে। তবে ইরানের পারমাণবিক নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেলের মিরপুর-১১ স্টেশন

যুদ্ধ শুরু হলে পরমাণু অস্ত্র নীতি পুনর্বিবেচনার আলোচনা ইরানে

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:৫৬:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার যুদ্ধ বা বৈরিতা শুরু হলে দীর্ঘদিনের পারমাণবিক অস্ত্রবিরোধী নীতি বহাল রাখা হবে কি না, তা নিয়ে ইরানের অভ্যন্তরে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন দেশটির নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মহসেন রেজাই।

শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরুর বিষয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান ও বক্তব্যে পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন রেজাই।

ভ্যান্সের চিঠিতে আলোচনার প্রস্তাব

কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে গত সপ্তাহে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মহসেন রেজাইয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা চিঠিটি রেজাইয়ের কাছে পৌঁছে দেন। এতে ভ্যান্সের নেতৃত্বে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। আলোচনার শুরু থেকেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে প্রধান বিষয় হিসেবে রাখার প্রস্তাবও ছিল।

রেজাই বলেন, তিনি চিঠিটি পড়েছেন, তবে এখনো কোনো জবাব দেননি। তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য ও মনোভাব আগের তুলনায় অনেকটাই বদলে গেছে। এ পরিবর্তনকে তিনি ‘ভালো লক্ষণ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, এটি প্রমাণ করে ইরান নিজেদের বিজয় সুসংহত করেছে।

ইরানের দাবিকে আলোচনার পূর্বশর্ত

চিঠির বিস্তারিত বিষয়বস্তু নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি রেজাই। তবে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দাবিগুলো পূরণ করার পরই কেবল পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

কাতারের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে শনিবার এর আগে ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

পারমাণবিক অস্ত্রবিরোধী নীতি পুনর্বিবেচনার বিষয়ে ইরানে আলোচনা চলার খবর এমন সময়ে সামনে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নানা তৎপরতা চলছে। তবে ইরানের পারমাণবিক নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই