ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক
চলতি বছরে মোট ৫৬২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে সন্দেহজনক হাম রোগী: হাসপাতালে ভর্তি ৬৭

২৫০ শষ্যা বিশিষ্ঠ জেলা হাসপাতাল চাঁপাইনবাবগঞ্জ। ফাইল ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে দিন দিন বাড়ছে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালে মোট ৬৭ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন, যাদের মধ্যে ছেলে ৩৩ জন এবং মেয়ে ৩৪ জন।

শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) পর্যন্ত হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এদিন নতুন করে ২৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ছেলে ১২ জন এবং মেয়ে ১৭ জন। একই দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৬ জন, যার মধ্যে ছেলে ৮ জন ও মেয়ে ৮ জন। এছাড়া গুরুতর অবস্থার কারণে একজন নারী রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র রেফার করা হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রেস রিলিজের মাধ্যমে  জানায়, পূর্বে ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা ছিল ৫৫ জন (ছেলে ২৯, মেয়ে ২৬)। নতুন ভর্তি ও ছাড়পত্রের হিসাব মিলিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ জন।

চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত (১ জানুয়ারি থেকে ১১ এপ্রিল ২০২৬) মোট ৫৬২ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো: আব্দুস সামাদ  জানান, হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো টিকা গ্রহণ ও সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি থাকায় অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালের সেবা ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

চলতি বছরে মোট ৫৬২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে সন্দেহজনক হাম রোগী: হাসপাতালে ভর্তি ৬৭

প্রকাশের সময়ঃ ১১:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে দিন দিন বাড়ছে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালে মোট ৬৭ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন, যাদের মধ্যে ছেলে ৩৩ জন এবং মেয়ে ৩৪ জন।

শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) পর্যন্ত হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এদিন নতুন করে ২৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ছেলে ১২ জন এবং মেয়ে ১৭ জন। একই দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৬ জন, যার মধ্যে ছেলে ৮ জন ও মেয়ে ৮ জন। এছাড়া গুরুতর অবস্থার কারণে একজন নারী রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র রেফার করা হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রেস রিলিজের মাধ্যমে  জানায়, পূর্বে ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা ছিল ৫৫ জন (ছেলে ২৯, মেয়ে ২৬)। নতুন ভর্তি ও ছাড়পত্রের হিসাব মিলিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ জন।

চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত (১ জানুয়ারি থেকে ১১ এপ্রিল ২০২৬) মোট ৫৬২ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো: আব্দুস সামাদ  জানান, হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো টিকা গ্রহণ ও সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি থাকায় অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালের সেবা ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।