
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের সাত নেতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম এ তথ্য জানিয়েছেন।
অভিযোগের মুখে থাকা সাত নেতা হলেন—সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী ও দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক পর্যটনমন্ত্রী ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম।
২৬ অক্টোবর অভিযোগ প্রস্তুতির কথা জানান চিফ প্রসিকিউটর
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, আমির হোসেন আমুসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনে জমা পড়েছে। ওই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ প্রস্তুত করা হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, সাত নেতার বিরুদ্ধে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির (ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁর দাবি, জুলাই-আগস্টের ঘটনাবলির সময় সংশ্লিষ্ট বৈঠকে তাঁরা উপস্থিত ছিলেন এবং সহিংসতার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তাঁদের ভূমিকা ছিল।
শাপলা চত্বরের মামলাতেও আসামি দীপু মনি ও আব্দুর রাজ্জাক
এদিকে, ডা. দীপু মনি ও ড. আব্দুর রাজ্জাক ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় দায়ের করা মামলারও আসামি হিসেবে রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। মামলার পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারিত হবে।
অধিকার ডেস্কঃ 























