ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
সাংবাদিক হেনস্তা: প্রশ্ন করাই কি অপরাধ? জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের দিনাজপুর অঞ্চলে সেরা ১০-এ বেরোবির ৫ শিক্ষার্থী শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মহিলাদলের সভা আয়োজন, বাগাতিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির দুঃখ প্রকাশ ব্রহ্মপুত্র খননে ধীরগতি, বালু উত্তোলন ও দখল বন্ধের দাবিতে ময়মনসিংহে বিক্ষোভ সমাবেশ বাগাতিপাড়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে মহিলাদলের মতবিনিময় সভা পাইকারি বাজারে আবারও বাড়ল চালের দাম, ৫০ কেজির বস্তায় বৃদ্ধি ২৫–৪০ টাকা ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিলেটের হাসপাতালে ভর্তি প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী রাজশাহী মহানগর জামায়াতের নতুন আমির ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের শপথ গ্রহণ রাজধানীতে চলন্ত বাসে আগুন, খিলগাঁওয়ে ককটেল বিস্ফোরণ

৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৮:২৬:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ১২৪৮ Time View

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ওই দিনের ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে দিবসটি উপলক্ষে জাতীয়ভাবে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহী ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যারা বাংলাদেশকে অন্যের ওপর নির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল, ওই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস নিয়ে সব সময় পড়ে থাকা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ভবিষ্যৎ নির্মাণে ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নেওয়াও ভুল। অতীতের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের পথ তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত শক্তি পরবর্তী সময়ে মহাজোটের নামে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। তাঁর দাবি, পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে পরিকল্পিত সেনা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয় এবং জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের সেই শাসনের অবসান ঘটে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

১৯৭১ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সালের গণআন্দোলন ছিল দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াই। তাঁর মতে, ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা।

ভবিষ্যতে কেউ যাতে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সে বিষয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের চেতনা ধারণ করা প্রয়োজন।

বাণীর শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার হোক—‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। ৭ নভেম্বরের বিপ্লবী চেতনা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণে প্রেরণা জোগাবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক হেনস্তা: প্রশ্ন করাই কি অপরাধ?

৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময়ঃ ০৮:২৬:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ওই দিনের ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে দিবসটি উপলক্ষে জাতীয়ভাবে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহী ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যারা বাংলাদেশকে অন্যের ওপর নির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল, ওই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস নিয়ে সব সময় পড়ে থাকা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ভবিষ্যৎ নির্মাণে ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নেওয়াও ভুল। অতীতের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের পথ তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত শক্তি পরবর্তী সময়ে মহাজোটের নামে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। তাঁর দাবি, পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে পরিকল্পিত সেনা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয় এবং জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের সেই শাসনের অবসান ঘটে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

১৯৭১ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সালের গণআন্দোলন ছিল দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াই। তাঁর মতে, ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা।

ভবিষ্যতে কেউ যাতে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সে বিষয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের চেতনা ধারণ করা প্রয়োজন।

বাণীর শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার হোক—‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। ৭ নভেম্বরের বিপ্লবী চেতনা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণে প্রেরণা জোগাবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।