ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

দোয়া কবুল হয় ইফতারের আগমুহূর্তে

সংগৃহীত ছবি।

মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি দয়াশীল। রমজানে এই দয়ার পরিমাণ আরো বেশি বৃদ্ধি পায়। তিনি প্রতিটি আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করেন, বান্দার দোয়া কবুল করেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। বিশেষত রমজানের ইফতারের সময়ে দোয়া কবুলের কথা হাদিসে এসেছে।

এ সময়ে বান্দার ওপর আল্লাহর করুণার ধারা বর্ষিত হয়। অথচ না জেনেই অনেকে সময়গুলো অবহেলায় কাটিয়ে দেয়।ইফতারের আগমুহূর্তের দোয়া

ইবাদত ও দোয়া কবুলের বিবেচনায় সূর্যাস্ত তথা ইফতারের পূর্ব মুহূর্ত খুবই মূল্যবান। পূর্বসূরি আলেমরা ইফতারের আগের সময়টুকু দোয়া ও আল্লাহর জিকিরে মগ্ন থাকতেন।

কেননা মহানবী (সা.) বলেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না : ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৫২) 

তাই ইফতারের সময়ে নানা কাজে ব্যস্ত না হয়ে দোয়ায় নিমগ্ন হওয়া জরুরি।

শেষ রাতের দোয়া

আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য শেষ রাতের ইবাদত-বন্দেগি, দোয়া ও প্রার্থনার কোনো বিকল্প নেই। নবী (সা.) বলেন, ‘রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে আমাদের প্রতিপালক পৃথিবীর আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব, কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব, কে আমার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করবে আমি তাকে ক্ষমা করব।

’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১১৪৫) 

তাই রোজাদারের উচিত, সাহরির আগে বা পরে তাহাজ্জুদ আদায়ে সচেষ্ট হওয়া এবং এ সময় আল্লাহর দরবারে ক্ষমা ও কল্যাণ প্রার্থনা করা। মহান আল্লাহ জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে তাঁর স্মরণে সজীব করুন। আমিন।

রাসুল (সা.) ইফতার শুরুর আগে এই দোয়া করতেন-

اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলা রিজক্বিকা আফতারতু।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যই রোজা রেখেছিলাম এবং আপনার রিজিক দ্বারাই ইফতার করলাম।

হাদিস : মুয়াজ ইবনে জুহরা (রা.) বলেন, তার কাছে পৌঁছেছে যে রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন ইফতার করতেন তখন এই দোয়া পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮)

রাসুল (সা.) ইফতারের পর আরেকটি দোয়া পড়তেন। তা হলো-

 ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ 

উচ্চারণ : জাহাবাজ জমাউ ওয়াবতাল্লাতিল উরুক্বু ওয়া ছাবাতাল আজরু, ইনশাআল্লাহ।

অর্থ : পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সতেজ হলো আর আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় রোজার সওয়াব লিপিবদ্ধ হলো।

হাদিস : ইবনে উমর (রা.) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন ইফতার করতেন তখন তিনি এই দোয়া পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

দোয়া কবুল হয় ইফতারের আগমুহূর্তে

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি দয়াশীল। রমজানে এই দয়ার পরিমাণ আরো বেশি বৃদ্ধি পায়। তিনি প্রতিটি আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করেন, বান্দার দোয়া কবুল করেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। বিশেষত রমজানের ইফতারের সময়ে দোয়া কবুলের কথা হাদিসে এসেছে।

এ সময়ে বান্দার ওপর আল্লাহর করুণার ধারা বর্ষিত হয়। অথচ না জেনেই অনেকে সময়গুলো অবহেলায় কাটিয়ে দেয়।ইফতারের আগমুহূর্তের দোয়া

ইবাদত ও দোয়া কবুলের বিবেচনায় সূর্যাস্ত তথা ইফতারের পূর্ব মুহূর্ত খুবই মূল্যবান। পূর্বসূরি আলেমরা ইফতারের আগের সময়টুকু দোয়া ও আল্লাহর জিকিরে মগ্ন থাকতেন।

কেননা মহানবী (সা.) বলেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না : ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৫২) 

তাই ইফতারের সময়ে নানা কাজে ব্যস্ত না হয়ে দোয়ায় নিমগ্ন হওয়া জরুরি।

শেষ রাতের দোয়া

আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য শেষ রাতের ইবাদত-বন্দেগি, দোয়া ও প্রার্থনার কোনো বিকল্প নেই। নবী (সা.) বলেন, ‘রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে আমাদের প্রতিপালক পৃথিবীর আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব, কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব, কে আমার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করবে আমি তাকে ক্ষমা করব।

’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১১৪৫) 

তাই রোজাদারের উচিত, সাহরির আগে বা পরে তাহাজ্জুদ আদায়ে সচেষ্ট হওয়া এবং এ সময় আল্লাহর দরবারে ক্ষমা ও কল্যাণ প্রার্থনা করা। মহান আল্লাহ জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে তাঁর স্মরণে সজীব করুন। আমিন।

রাসুল (সা.) ইফতার শুরুর আগে এই দোয়া করতেন-

اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলা রিজক্বিকা আফতারতু।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যই রোজা রেখেছিলাম এবং আপনার রিজিক দ্বারাই ইফতার করলাম।

হাদিস : মুয়াজ ইবনে জুহরা (রা.) বলেন, তার কাছে পৌঁছেছে যে রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন ইফতার করতেন তখন এই দোয়া পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮)

রাসুল (সা.) ইফতারের পর আরেকটি দোয়া পড়তেন। তা হলো-

 ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ 

উচ্চারণ : জাহাবাজ জমাউ ওয়াবতাল্লাতিল উরুক্বু ওয়া ছাবাতাল আজরু, ইনশাআল্লাহ।

অর্থ : পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সতেজ হলো আর আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় রোজার সওয়াব লিপিবদ্ধ হলো।

হাদিস : ইবনে উমর (রা.) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন ইফতার করতেন তখন তিনি এই দোয়া পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৭)