ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ঢাবির জগন্নাথ হলের পাশে রাতে ককটেল বিস্ফোরণ অগ্নিকাণ্ড: বন্ধ ছিল চারটি সিঁড়ির গেট, প্রাণ বাঁচাতে ভাঙতে হয় তালা নাটোরে দুর্ঘটনাকবলিত সিএনজি থেকে ৩৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ মামুন খালেদসহ স্ত্রী-শ্যালকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ভূরুঙ্গামারীতে ২৩ লাখ টাকার বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্পে অনিয়ম, কেডিএর ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ শাহজাদপুরে নার্সিং ও ডেন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সিলেট সীমান্তে ২৭ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাইপণ্য জব্দ ভারত-বাংলাদেশ পাইপলাইনে পার্বতীপুরে পৌঁছাল ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল

জাতীয় পতাকা ও খালেদা জিয়ার ছবি পদদলিত করার ঘটনায় ইবি ইউট্যাবের প্রতিবাদ

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাঃ তোজাম্মেল হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানান ।

ইবিতে  জাতীয় পতাকা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি সম্বলিত বিভিন্ন ব্যানার ছিন্ন করে পদদলিত করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কতিপয় শিক্ষার্থী। এ ঘটনার গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাঃ তোজাম্মেল হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানান তারা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ এপ্রিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের গেট সংলগ্ন স্থানে লাগানো সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোকজ্ঞাপক ছবিযুক্ত ব্যানার এবং জাতীয় পতাকার ব্যানারটি কতিপয় ছাত্রনামধারী দুষ্কৃতিকারী কৌশলে ও অত্যন্ত সচেতনভাবে ছিন্নভিন্ন করে এবং পদদলিত করে। এই ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্টদের শাস্তির দাবি করছি।

এ ঘটনার গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে লক্ষ্যযোগ্য হয়ে উঠেছে যে, মবসৃষ্টি করে একদল উশৃংখল শিক্ষার্থী অত্যন্ত সচেতনভাবে ও সুকৌশলে জাতীয় পতাকাকে দলিত ও অবমাননা করেছে। একইসাথে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, অপোসহীন সংগ্রাম এবং উন্নয়নের রূপকার আমাদের আবেগ ও আকাঙ্ক্ষা আশ্রয়স্থল বেগম খালেদা জিয়ার শোকজ্ঞাপক ছবিকে ছিড়ে যেভাবে পদদলিত করা হয়েছে তা কোনো বিচ্ছিন্ন ও সাধারণ ঘটনা হতে পারে না। এই নেক্কারজনক ঘটনায় আমরা ক্ষুব্ধ, আমরা হতবাক।

আমরা মনে করি এ ধরনের ঘৃন্য কাজে জড়িত ব্যক্তিরা প্রকৃত ছাত্র হতে পারে না। ইউট্যাব ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা গুণি শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা ও মেধাবী শিক্ষার্থী সাজিদ হত্যার ব্যাপারে দীর্ঘদিন যাবত তাদের শক্ত অবস্থান এবং সুষ্ঠ বিচার দাবি করে আসছে। কিন্তু বিচারিক প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার পরিবর্তে বাধাগ্রস্ত করতে এবং বিচার চাওয়ার নামে মবসৃষ্টিকরে সুকৌশলে যারা জাতীয় পতাকাকে অসম্মান করেছে; জাতীয়তাবাদী আদর্শিক চিহ্নকে পদদলিত করে মুছে ফেলতে চেয়েছে, সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে এদেরকে বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে অবশ্যই আনতে হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের জোর দাবি- ছাত্র নামধারী এইসব উশৃংখল ও দুস্কৃতিকারীদের সনাক্ত করে প্রয়োজনীয় শাস্তির ব্যবস্থা করুন।

আমরা এও লক্ষ্য করেছি- বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসন এই ঘটনার কিছুকাল পরেই ঐ স্থানে উপস্থিত ছিলেন। পদদলিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পতাকার ব্যানার তাদের দৃষ্টিগ্রাহ্য হওয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপহীনতা ও নীরবতা আমাদেরকে ব্যথিত করেছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি; একই সাথে এই ঘৃণ্য কাজে জড়িতদের যথাযথ বিচার দাবি করছি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ এপ্রিল দুপুরে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে প্রশাসন ভবনে তালা দেয় বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীদের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পরেন এক কর্মচারী। ওই কর্মচারীকে দেখতে না পেয়ে উত্তেজিত হয়ে সামনে থাকা ব্যানার ছিড়ে ফেলেছেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা। পরক্ষণেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যানার ছেড়ার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবি জানান শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবির জগন্নাথ হলের পাশে রাতে ককটেল বিস্ফোরণ

জাতীয় পতাকা ও খালেদা জিয়ার ছবি পদদলিত করার ঘটনায় ইবি ইউট্যাবের প্রতিবাদ

প্রকাশের সময়ঃ ১০:২৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ইবিতে  জাতীয় পতাকা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি সম্বলিত বিভিন্ন ব্যানার ছিন্ন করে পদদলিত করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কতিপয় শিক্ষার্থী। এ ঘটনার গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাঃ তোজাম্মেল হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানান তারা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ এপ্রিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের গেট সংলগ্ন স্থানে লাগানো সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোকজ্ঞাপক ছবিযুক্ত ব্যানার এবং জাতীয় পতাকার ব্যানারটি কতিপয় ছাত্রনামধারী দুষ্কৃতিকারী কৌশলে ও অত্যন্ত সচেতনভাবে ছিন্নভিন্ন করে এবং পদদলিত করে। এই ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্টদের শাস্তির দাবি করছি।

এ ঘটনার গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে লক্ষ্যযোগ্য হয়ে উঠেছে যে, মবসৃষ্টি করে একদল উশৃংখল শিক্ষার্থী অত্যন্ত সচেতনভাবে ও সুকৌশলে জাতীয় পতাকাকে দলিত ও অবমাননা করেছে। একইসাথে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, অপোসহীন সংগ্রাম এবং উন্নয়নের রূপকার আমাদের আবেগ ও আকাঙ্ক্ষা আশ্রয়স্থল বেগম খালেদা জিয়ার শোকজ্ঞাপক ছবিকে ছিড়ে যেভাবে পদদলিত করা হয়েছে তা কোনো বিচ্ছিন্ন ও সাধারণ ঘটনা হতে পারে না। এই নেক্কারজনক ঘটনায় আমরা ক্ষুব্ধ, আমরা হতবাক।

আমরা মনে করি এ ধরনের ঘৃন্য কাজে জড়িত ব্যক্তিরা প্রকৃত ছাত্র হতে পারে না। ইউট্যাব ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা গুণি শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা ও মেধাবী শিক্ষার্থী সাজিদ হত্যার ব্যাপারে দীর্ঘদিন যাবত তাদের শক্ত অবস্থান এবং সুষ্ঠ বিচার দাবি করে আসছে। কিন্তু বিচারিক প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার পরিবর্তে বাধাগ্রস্ত করতে এবং বিচার চাওয়ার নামে মবসৃষ্টিকরে সুকৌশলে যারা জাতীয় পতাকাকে অসম্মান করেছে; জাতীয়তাবাদী আদর্শিক চিহ্নকে পদদলিত করে মুছে ফেলতে চেয়েছে, সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে এদেরকে বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে অবশ্যই আনতে হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের জোর দাবি- ছাত্র নামধারী এইসব উশৃংখল ও দুস্কৃতিকারীদের সনাক্ত করে প্রয়োজনীয় শাস্তির ব্যবস্থা করুন।

আমরা এও লক্ষ্য করেছি- বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসন এই ঘটনার কিছুকাল পরেই ঐ স্থানে উপস্থিত ছিলেন। পদদলিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পতাকার ব্যানার তাদের দৃষ্টিগ্রাহ্য হওয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপহীনতা ও নীরবতা আমাদেরকে ব্যথিত করেছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি; একই সাথে এই ঘৃণ্য কাজে জড়িতদের যথাযথ বিচার দাবি করছি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ এপ্রিল দুপুরে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে প্রশাসন ভবনে তালা দেয় বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীদের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পরেন এক কর্মচারী। ওই কর্মচারীকে দেখতে না পেয়ে উত্তেজিত হয়ে সামনে থাকা ব্যানার ছিড়ে ফেলেছেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা। পরক্ষণেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যানার ছেড়ার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবি জানান শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।