ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ঐক্য ধরে রাখতে না পারলে আবারও ফ্যাসিস্ট শক্তির উত্থান হতে পারে-ইবি উপাচার্য সিঙ্গেল মায়েদের স্বাবলম্বিতা ও বিহারী শিশুদের শিক্ষায় অনন্য সামাজিক উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের রাজপথের সংঘাতের প্রভাব শুধু সড়কেই সীমাবদ্ধ ছিল না মায়ের উদ্দেশে শেষ চিঠি লিখেই আন্দোলনে যান আনাস জুলাই হত্যাকাণ্ডের দুই বছর: ছয় মামলার রায় মালয়েশিয়ায় তিন বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার, সহকর্মী বাংলাদেশি গ্রেপ্তার ‘ছাত্রদলের মাস্তানি সহ্য করা হবে না’-সংবাদ সম্মেলনে শিবির সভাপতি নূরুল কলেজে এমপির স্ত্রীর সভাপতি নিয়োগ ৩ মাসের জন্য স্থগিত, হাইকোর্টের রুল

ময়মনসিংহে শপু হত্যা মামলায় দ্বিতীয় স্ত্রীর যাবজ্জীবন, ভাই খালাস

ময়মনসিংহে শপু হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত

ময়মনসিংহ সদরের আকুয়া হাবন বেপারী এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম শপু হত্যা মামলায় তার দ্বিতীয় স্ত্রী আফরোজা শেখ ইতিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং তা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, শফিকুল ইসলাম শপু প্রথমে মাহমুদা আক্তার ঝুমুকে বিয়ে করেন এবং তাদের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে আফরোজা শেখ ইতির সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তিনি ইতিকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন।

দ্বিতীয় বিয়ের পরও শপু প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখায় দ্বিতীয় স্ত্রী ইতির সঙ্গে তার পারিবারিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এই বিরোধের জেরে ২০১৯ সালের ১০ জুন সন্ধ্যায় আকুয়া হাবন বেপারী এলাকার বাসভবনে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে শপুকে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ বাড়ির সামনে থাকা একটি পুকুরে ফেলে কচুরিপানার নিচে গোপন করে রাখা হয়।

ঘটনার তিন দিন পর ১৩ জুন স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুরের কচুরিপানার ভেতর একটি হাত দেখতে পেয়ে পুলিশকে অবগত করেন। খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহতের মা নুরুন্নাহার বাদী হয়ে একই দিন কোতোয়ালী মডেল থানায় আফরোজা শেখ ইতি ও তার ভাই দ্বীন ইসলামকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা ও সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আফরোজা শেখ ইতির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

অন্যদিকে সহআসামি দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাসের নির্দেশ দেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহে শপু হত্যা মামলায় দ্বিতীয় স্ত্রীর যাবজ্জীবন, ভাই খালাস

প্রকাশের সময়ঃ ০২:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহ সদরের আকুয়া হাবন বেপারী এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম শপু হত্যা মামলায় তার দ্বিতীয় স্ত্রী আফরোজা শেখ ইতিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং তা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, শফিকুল ইসলাম শপু প্রথমে মাহমুদা আক্তার ঝুমুকে বিয়ে করেন এবং তাদের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে আফরোজা শেখ ইতির সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তিনি ইতিকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন।

দ্বিতীয় বিয়ের পরও শপু প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখায় দ্বিতীয় স্ত্রী ইতির সঙ্গে তার পারিবারিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এই বিরোধের জেরে ২০১৯ সালের ১০ জুন সন্ধ্যায় আকুয়া হাবন বেপারী এলাকার বাসভবনে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে শপুকে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ বাড়ির সামনে থাকা একটি পুকুরে ফেলে কচুরিপানার নিচে গোপন করে রাখা হয়।

ঘটনার তিন দিন পর ১৩ জুন স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুরের কচুরিপানার ভেতর একটি হাত দেখতে পেয়ে পুলিশকে অবগত করেন। খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহতের মা নুরুন্নাহার বাদী হয়ে একই দিন কোতোয়ালী মডেল থানায় আফরোজা শেখ ইতি ও তার ভাই দ্বীন ইসলামকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা ও সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আফরোজা শেখ ইতির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

অন্যদিকে সহআসামি দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাসের নির্দেশ দেন।