ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
নওগাঁয় ৩৮ কেজির কষ্টিপাথরের তারা দেবী মূর্তি উদ্ধার, আটক ১ বেরোবি উপাচার্যের সঙ্গে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠক বহিরাগতদের নিয়ে হামলা ও শোডাউন- ছাত্রদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ঢাকায় ডিএমপির ২,১৪৪ মামলা, ডাম্পিং ৫০৬ গাড়ি রাসূল (সা.)-এর জীবন ছিল সুশৃঙ্খল ও মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত: নুরুল ইসলাম সাদ্দাম চুয়াডাঙ্গায় সাবেক শিবির সভাপতি আরিফুলের ওপর হামলা, প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ কালিয়াকৈরে অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ও এপিএসের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি, গ্রেপ্তার ১ রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের বড় জাতীয় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মোরেলগঞ্জে সড়কে ফেলে যাওয়া শিশুকে বাবার কাছে হস্তান্তর

সাজিদ হত্যা: ১৩ মাসেও খোলা যায়নি মোবাইলের লক, তদন্তে নেই দৃশ্যমান অগ্রগতি

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৯:১১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৩৬ Time View

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যা মামলার তদন্তে মোবাইল ফোনের তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ১৩ মাস পেরিয়ে গেলেও তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের লক খুলতে পারেনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মামলার তদন্তেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়নি। এতে গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচিত মোবাইল ফোন থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য উদ্ধারের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সাজিদের স্বজন ও সহপাঠীরা।

সাজিদ আব্দুল্লাহ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল কোরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত বছরের ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ভিসেরা প্রতিবেদনে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যুর তথ্য উঠে আসে।

এ ঘটনায় সাজিদের বাবা আহসান হাবিবুল্লাহ ইবি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডির কাছে হস্তান্তর করেন।

মোবাইল ফোনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকার আশা

সাজিদের পরিবার ও সহপাঠীদের দাবি, তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি মামলার গুরুত্বপূর্ণ একটি আলামত। ফোনটির লক খোলা সম্ভব না হওয়ায় এতে থাকা যোগাযোগের তথ্যসহ বিভিন্ন উপাত্ত তদন্তকারীদের কাছে এখনো অপ্রাপ্য।

তাদের মতে, ফোনের তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হলে সাজিদের শেষ সময়ের যোগাযোগ বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো তথ্য তদন্তে সহায়ক হতে পারে। দীর্ঘ সময়েও ফোনটির লক খুলতে না পারায় মামলার বিচার নিয়ে তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের দিয়েও খোলা যায়নি লক

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহব্বত হোসেন জানান, মোবাইল ফোনটির লক খোলার জন্য বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। তবে তারা এখনো ফোনটির লক খুলতে সক্ষম হননি।

তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আবারও এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে। অন্য কোনো প্রযুক্তিগত পদ্ধতিতে ফোনটির লক খোলার সুযোগ থাকলে সেটিও কাজে লাগানো হবে।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, মামলাটি বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, তদন্তে গাফিলতির সুযোগ নেই এবং আলামত উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় ৩৮ কেজির কষ্টিপাথরের তারা দেবী মূর্তি উদ্ধার, আটক ১

সাজিদ হত্যা: ১৩ মাসেও খোলা যায়নি মোবাইলের লক, তদন্তে নেই দৃশ্যমান অগ্রগতি

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:১১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ১৩ মাস পেরিয়ে গেলেও তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের লক খুলতে পারেনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মামলার তদন্তেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়নি। এতে গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচিত মোবাইল ফোন থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য উদ্ধারের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সাজিদের স্বজন ও সহপাঠীরা।

সাজিদ আব্দুল্লাহ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল কোরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত বছরের ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ভিসেরা প্রতিবেদনে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যুর তথ্য উঠে আসে।

এ ঘটনায় সাজিদের বাবা আহসান হাবিবুল্লাহ ইবি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডির কাছে হস্তান্তর করেন।

মোবাইল ফোনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকার আশা

সাজিদের পরিবার ও সহপাঠীদের দাবি, তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি মামলার গুরুত্বপূর্ণ একটি আলামত। ফোনটির লক খোলা সম্ভব না হওয়ায় এতে থাকা যোগাযোগের তথ্যসহ বিভিন্ন উপাত্ত তদন্তকারীদের কাছে এখনো অপ্রাপ্য।

তাদের মতে, ফোনের তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হলে সাজিদের শেষ সময়ের যোগাযোগ বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো তথ্য তদন্তে সহায়ক হতে পারে। দীর্ঘ সময়েও ফোনটির লক খুলতে না পারায় মামলার বিচার নিয়ে তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের দিয়েও খোলা যায়নি লক

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহব্বত হোসেন জানান, মোবাইল ফোনটির লক খোলার জন্য বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। তবে তারা এখনো ফোনটির লক খুলতে সক্ষম হননি।

তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আবারও এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে। অন্য কোনো প্রযুক্তিগত পদ্ধতিতে ফোনটির লক খোলার সুযোগ থাকলে সেটিও কাজে লাগানো হবে।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, মামলাটি বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, তদন্তে গাফিলতির সুযোগ নেই এবং আলামত উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।