ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন প্রশ্ন জাতীয় পদক অর্জনকারী ফজলে রাব্বীকে নলডাঙ্গায় সংবর্ধনা ময়মনসিংহের ১৩ উপজেলায় ‘ডিসি’স সায়েন্স ট্যালেন্ট হান্ট–২০২৬’ সারের কোনো সংকট নেই দেশে , সমস্যা বিতরণে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গরমে ঠান্ডা স্বস্তি, ঘরেই সহজে বানান সুস্বাদু ডাবের পুডিং ফিফার সব নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলবদলে ফিরল বসুন্ধরা কিংস একসঙ্গে নিভল পাঁচ শিশুর প্রাণের প্রদীপ- পাশাপাশি কবরে শায়িত যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো নারী আসামি কেরানীগঞ্জে আটক রংপুরে ৪ খুন-গাফিলতির কোন সুযোগ নেই, আশ্বাস নতুন পুলিশ কমিশনারের নেপালের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন- দেশে ফিরে অপু বিশ্বাস

বই দেখে পরীক্ষা দেওয়ার ভিডিও, গাংনীতে ২ সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৯:২৭:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৪৩ Time View

গাংনীর কাজিপুর ডিগ্রি কলেজে পরীক্ষা চলাকালে অনিয়মের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

মেহেরপুরের গাংনীতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন। শুক্রবার উপজেলার কাজিপুর ডিগ্রি কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিকরা হলেন নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহম্মেদ এবং দৈনিক খবরের কাগজের জেলা প্রতিনিধি এসএম তারিক। এ ঘটনায় শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লব ও বাবর আলীর নাম উল্লেখ করে আরও সাত থেকে আটজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে গাংনী থানায় মামলা করেছেন সাংবাদিক রাব্বি আহাম্মেদ।

রাব্বি আহাম্মেদ জানান, অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষার্থীদের বই দেখে উত্তর লেখার সুযোগ দেওয়ার খবর পেয়ে তারা কাজিপুর ডিগ্রি কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে বই দেখে পরীক্ষা দিতে দেখেন। বিষয়টির ভিডিও ধারণ করতে গেলে কয়েকজন শিক্ষক ও অন্যরা তাদের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাংবাদিক এসএম তারিক বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে তারা পরীক্ষার্থীদের বই দেখে লিখতে দেখেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুই শিক্ষক ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা করেন বলে তার অভিযোগ। এ সময় তাদের দুটি মোবাইল ফোন এবং টেলিভিশনের বুম মাইক্রোফোন নিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাদের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। একপর্যায়ে কৌশলে সেখান থেকে বের হয়ে আসেন তারা।

তবে সাংবাদিকদের মারধর ও তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লব। তিনি বলেন, তাদের জ্ঞাতসারে পরীক্ষার্থীদের বই দেখে লিখতে দেওয়া হয়নি। পরীক্ষার হলে বই দেখে উত্তর লেখার কোনো নিয়মও নেই।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মেহেরপুরের সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। জেলার সাংবাদিকরা হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের বাধা, হামলা ও আটকে রাখার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, সাংবাদিক রাব্বি আহাম্মেদ বাদী হয়ে দুই শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে আরও সাত থেকে আটজন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, ঘটনার কারণ কী এবং সাংবাদিকদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম নেওয়া হয়েছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন প্রশ্ন

বই দেখে পরীক্ষা দেওয়ার ভিডিও, গাংনীতে ২ সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:২৭:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

মেহেরপুরের গাংনীতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন। শুক্রবার উপজেলার কাজিপুর ডিগ্রি কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিকরা হলেন নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহম্মেদ এবং দৈনিক খবরের কাগজের জেলা প্রতিনিধি এসএম তারিক। এ ঘটনায় শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লব ও বাবর আলীর নাম উল্লেখ করে আরও সাত থেকে আটজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে গাংনী থানায় মামলা করেছেন সাংবাদিক রাব্বি আহাম্মেদ।

রাব্বি আহাম্মেদ জানান, অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষার্থীদের বই দেখে উত্তর লেখার সুযোগ দেওয়ার খবর পেয়ে তারা কাজিপুর ডিগ্রি কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে বই দেখে পরীক্ষা দিতে দেখেন। বিষয়টির ভিডিও ধারণ করতে গেলে কয়েকজন শিক্ষক ও অন্যরা তাদের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাংবাদিক এসএম তারিক বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে তারা পরীক্ষার্থীদের বই দেখে লিখতে দেখেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুই শিক্ষক ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা করেন বলে তার অভিযোগ। এ সময় তাদের দুটি মোবাইল ফোন এবং টেলিভিশনের বুম মাইক্রোফোন নিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাদের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। একপর্যায়ে কৌশলে সেখান থেকে বের হয়ে আসেন তারা।

তবে সাংবাদিকদের মারধর ও তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লব। তিনি বলেন, তাদের জ্ঞাতসারে পরীক্ষার্থীদের বই দেখে লিখতে দেওয়া হয়নি। পরীক্ষার হলে বই দেখে উত্তর লেখার কোনো নিয়মও নেই।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মেহেরপুরের সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। জেলার সাংবাদিকরা হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের বাধা, হামলা ও আটকে রাখার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, সাংবাদিক রাব্বি আহাম্মেদ বাদী হয়ে দুই শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে আরও সাত থেকে আটজন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, ঘটনার কারণ কী এবং সাংবাদিকদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম নেওয়া হয়েছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হবে।