ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী মিরপুর বিআরটিএতে মোবাইল কোর্ট, তিন দালালের কারাদণ্ড গৌরনদীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে মিন্টু মেমোরিয়াল কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মারিবের দিকে হুতিদের অগ্রযাত্রা, ইয়েমেনে তীব্র লড়াই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীকে আটকে মুক্তিপণ, গ্রেপ্তার ৪ এআই ও ডিপফেক পুলিশের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ: আইজিপি বকেয়া বেতনের দাবিতে আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: বিমানমন্ত্রী ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে সাবেক ইউপি সদস্য নিহত, স্ত্রীর দাবি পরিকল্পিত হত্যা

এআই ও ডিপফেক পুলিশের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ: আইজিপি

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১১:২৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২৩৬ Time View

সাইবার অপরাধ মামলা তদন্ত সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আইজিপি আলী হোসেন ফকির।

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিপফেক, এনক্রিপটেড যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মতো প্রযুক্তি যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে, তেমনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জও সৃষ্টি করছে।

রোববার রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজে সাইবার অপরাধ মামলা তদন্ত সংক্রান্ত ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অপরাধীরা সাইবারভিত্তিক প্রতারণা, অনলাইন আর্থিক অপরাধ, তথ্য চুরি, হ্যাকিং, অনলাইনে হয়রানি ও ডিজিটাল চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত করছে। এ ধরনের অপরাধ ক্রমেই বাড়তে থাকায় পুলিশিংয়ের প্রচলিত পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সাইবার অপরাধের কার্যকর তদন্তের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে পুলিশ সদস্যদের জ্ঞান ও দক্ষতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের ধরন বুঝে তদন্তের সক্ষমতা বাড়ানো আধুনিক পুলিশিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, এই কোর্সের মাধ্যমে কর্মকর্তারা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করবেন না, বরং প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগ দক্ষতাও বাড়াতে পারবেন। প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অন্য তদন্তকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যদি কার্যকরভাবে অন্য তদন্তকারীদের প্রশিক্ষণ দিতে পারেন, তাহলে দেশে সাইবার মামলা তদন্তে দক্ষ কর্মকর্তার সংখ্যা বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতাও আরও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর অতিরিক্ত আইজি কাজী ফজলুল করিম সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিআইডিপ্রধান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী

এআই ও ডিপফেক পুলিশের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ: আইজিপি

প্রকাশের সময়ঃ ১১:২৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিপফেক, এনক্রিপটেড যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মতো প্রযুক্তি যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে, তেমনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জও সৃষ্টি করছে।

রোববার রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজে সাইবার অপরাধ মামলা তদন্ত সংক্রান্ত ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অপরাধীরা সাইবারভিত্তিক প্রতারণা, অনলাইন আর্থিক অপরাধ, তথ্য চুরি, হ্যাকিং, অনলাইনে হয়রানি ও ডিজিটাল চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত করছে। এ ধরনের অপরাধ ক্রমেই বাড়তে থাকায় পুলিশিংয়ের প্রচলিত পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সাইবার অপরাধের কার্যকর তদন্তের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে পুলিশ সদস্যদের জ্ঞান ও দক্ষতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের ধরন বুঝে তদন্তের সক্ষমতা বাড়ানো আধুনিক পুলিশিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, এই কোর্সের মাধ্যমে কর্মকর্তারা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করবেন না, বরং প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগ দক্ষতাও বাড়াতে পারবেন। প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অন্য তদন্তকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যদি কার্যকরভাবে অন্য তদন্তকারীদের প্রশিক্ষণ দিতে পারেন, তাহলে দেশে সাইবার মামলা তদন্তে দক্ষ কর্মকর্তার সংখ্যা বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতাও আরও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর অতিরিক্ত আইজি কাজী ফজলুল করিম সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিআইডিপ্রধান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।