ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক ‘অপলক’ দিয়ে বড় পর্দায় রাজীব, জুটি হচ্ছেন নিশো-মেহজাবীন জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আহ্বান মার্কিন নির্বাচনের প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে চতুর্থ শ্রেণিতে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি শিক্ষার নতুন বই, জানালেন প্রতিমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধাক্কা, ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাব কি কমছে? খাদ্য অপচয় কমাতে সব মন্ত্রণালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান পোশাকশ্রমিকদের দাবি পূরণে সরকারের প্রতি শফিকুর রহমানের আহ্বান চট্টগ্রামে শ্রমিক হত্যা ও মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির মশাল মিছিল টেস্ট বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে অবনতি তাইজুল ও মিরাজের

বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় শাবিপ্রবির আট শিক্ষক

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৪:৪০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৬৫ Time View

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আট শিক্ষক স্থান পেয়েছেন।

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞান গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আট শিক্ষক। আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার ও যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

বুধবার এলসেভিয়ার তালিকাটি প্রকাশ করে। এতে শাবিপ্রবির বিভিন্ন বিভাগের আট শিক্ষক স্থান পেয়েছেন।

তালিকায় থাকা শিক্ষকরা হলেন—ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো. আখতারুল ইসলাম, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুস সুবহান এবং অধ্যাপক মিজানুর রহমান খান।

এ ছাড়া বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক নুরশাদ আলী, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অজিত ঘোষ এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাবেদ ফয়সালও তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।

এলসেভিয়ারের তথ্য অনুযায়ী, গবেষকদের বৈজ্ঞানিক অবদান ও গবেষণার প্রভাব মূল্যায়নে বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, গবেষণার প্রভাব এবং সহ-লেখকদের প্রভাব অন্যতম। এ মূল্যায়নে এলসেভিয়ারের গবেষণাভিত্তিক তথ্যভান্ডার স্কোপাসের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র অন্য গবেষকেরা কতবার উদ্ধৃত করেছেন, গবেষণার পরিমাণের সঙ্গে উদ্ধৃতির মানের সামঞ্জস্য এবং যৌথ গবেষণায় সংশ্লিষ্ট গবেষকের অবদানও মূল্যায়নের আওতায় রাখা হয়।

এ জন্য গবেষকদের ২২টি প্রধান শাখা ও ১৭৪টি উপশাখায় ভাগ করে তাঁদের গবেষণার প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

তালিকায় গবেষকদের স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে মূলত দুটি বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে। একটি হলো পুরো কর্মজীবনে একজন গবেষকের গবেষণার সামগ্রিক প্রভাব এবং অন্যটি হলো সর্বশেষ এক বছরে তাঁর গবেষণার প্রভাব।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকদের গবেষণার মান ও প্রভাবের বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় শাবিপ্রবির আট শিক্ষকের স্থান পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক

বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় শাবিপ্রবির আট শিক্ষক

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:৪০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞান গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আট শিক্ষক। আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার ও যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

বুধবার এলসেভিয়ার তালিকাটি প্রকাশ করে। এতে শাবিপ্রবির বিভিন্ন বিভাগের আট শিক্ষক স্থান পেয়েছেন।

তালিকায় থাকা শিক্ষকরা হলেন—ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো. আখতারুল ইসলাম, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুস সুবহান এবং অধ্যাপক মিজানুর রহমান খান।

এ ছাড়া বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক নুরশাদ আলী, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অজিত ঘোষ এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাবেদ ফয়সালও তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।

এলসেভিয়ারের তথ্য অনুযায়ী, গবেষকদের বৈজ্ঞানিক অবদান ও গবেষণার প্রভাব মূল্যায়নে বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, গবেষণার প্রভাব এবং সহ-লেখকদের প্রভাব অন্যতম। এ মূল্যায়নে এলসেভিয়ারের গবেষণাভিত্তিক তথ্যভান্ডার স্কোপাসের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র অন্য গবেষকেরা কতবার উদ্ধৃত করেছেন, গবেষণার পরিমাণের সঙ্গে উদ্ধৃতির মানের সামঞ্জস্য এবং যৌথ গবেষণায় সংশ্লিষ্ট গবেষকের অবদানও মূল্যায়নের আওতায় রাখা হয়।

এ জন্য গবেষকদের ২২টি প্রধান শাখা ও ১৭৪টি উপশাখায় ভাগ করে তাঁদের গবেষণার প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

তালিকায় গবেষকদের স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে মূলত দুটি বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে। একটি হলো পুরো কর্মজীবনে একজন গবেষকের গবেষণার সামগ্রিক প্রভাব এবং অন্যটি হলো সর্বশেষ এক বছরে তাঁর গবেষণার প্রভাব।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকদের গবেষণার মান ও প্রভাবের বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় শাবিপ্রবির আট শিক্ষকের স্থান পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।