ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী মজুরি কমিশন গঠন হয়েছে, এখন আন্দোলনের সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী টুকু মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার চেষ্টা, রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি, সতর্ক বিএনপি নেতাকর্মীরাও মিরপুর-১১-তে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, যান চলাচল স্বাভাবিক; আটক ৪ এইচএসসিতে শূন্য পাস ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে, শাস্তির মুখে শিক্ষক-প্রতিষ্ঠানপ্রধান গোপালগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজা ও ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকাসহ আটক ১ ডামুড্যায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হঠাৎ কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে ১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

চ্যালেঞ্জিং গল্পে আগ্রহ বেশি, কাজ বাছাইয়ে সচেতন আরশ খান

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৪:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৭৪ Time View

অভিনয়ের ক্ষেত্রে গল্পের মান ও চ্যালেঞ্জকে গুরুত্ব দিয়ে আরও সচেতনভাবে কাজ বেছে নিতে চান অভিনেতা আরশ খান।

অভিনয়ের ক্ষেত্রে এখন আগের চেয়ে বেশি সচেতন হয়েছেন তরুণ অভিনেতা আরশ খান। দর্শকের প্রশংসা যেমন তাঁকে অনুপ্রাণিত করে, তেমনি সমালোচনা থেকেও শেখার চেষ্টা করেন তিনি। নতুন কাজ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে গল্পের মান, অভিনয়ের চ্যালেঞ্জ এবং সমাজের প্রতি ইতিবাচক বার্তার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে চান এই অভিনেতা।

আরশ খানের ভাষ্য, এখন বেছে বেছে নাটকে অভিনয় করছেন তিনি। গল্প বুঝে এবং নিজের পছন্দের সঙ্গে মিলিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ভালো গল্প পেলে যেকোনো ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে আগ্রহী তিনি। বিশেষ করে চ্যালেঞ্জিং গল্প তাঁকে বেশি আকৃষ্ট করে। অভিনয়ের প্রতি গভীর নিবেদন থেকেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানান এই অভিনেতা।

এক দশকেরও বেশি সময় মঞ্চনাটকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আরশ খান। মায়ের অনুপ্রেরণা ও পরিবারের সহযোগিতা তাঁর পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। নানা বাধা ও ব্যর্থতার মুখেও থেমে না থেকে নিজেকে গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন তিনি।

বর্তমানে টেলিভিশন ও ইউটিউবের নাটকে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে তাঁকে। পছন্দের গল্প পেলে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও কাজ করছেন। গত দেড় মাসে তাঁর অভিনীত প্রায় এক ডজন নাটক মুক্তি পেয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘প্রেম হলো দেরিতে’, ‘আহা একি মায়া’, ‘হঠাৎ ঝুম’, ‘তুমি এসেছিলে পর’, ‘আশিক প্রিয়া’, ‘বাজি’, ‘মায়ারে’, ‘পরিণতি’, ‘বউ পালানোর পরে’, ‘অভিযোগ ছিল না’, ‘তুই আমার শুরু’, ‘তুমি এসেছিলে পরশু’ ও ‘দাদি ভয়ংকর’। এসব নাটকের বেশ কয়েকটি দর্শকের সাড়া পেয়েছে।

দর্শকের প্রতিক্রিয়াকে গুরুত্ব দিচ্ছেন

দেশের নাটকের মান ও গল্পের বৈচিত্র্য নিয়ে দর্শকদের মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা রয়েছে। কেউ গল্প নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন, কেউ আবার নির্মাণের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আরশ খান মনে করেন, দর্শকের রুচি ও পছন্দ এক রকম নয়। প্রত্যেকেরই নিজের পছন্দ অনুযায়ী কাজ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের গল্প দেখতে দর্শক আগ্রহী। এর মধ্যে তাঁর অভিনীত কাজও দর্শক দেখছেন এবং প্রশংসা করছেন। দর্শকের কাছে নিজের অভিনয় পৌঁছে দিতে পারাকে বড় অর্জন হিসেবে দেখেন তিনি।

তবে দর্শকের প্রশংসা পেলেই নিজের কাজ নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়ে যান না আরশ। তাঁর মতে, কিছু নাটকে অভিনয়ের পর ভালো ও খারাপ—দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই পেয়েছেন। কোনো কাজ নিয়ে দর্শক সন্তুষ্ট হলেও নিজের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ভালো কাজ করার আগ্রহ তাঁর কখনোই কমে না। ভবিষ্যতে গল্পের পাশাপাশি সমাজের জন্য ইতিবাচক বার্তা রয়েছে—এমন নাটককে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে চান।

ওটিটিতে চ্যালেঞ্জিং কাজের অপেক্ষা

চলতি বছরের শুরুতে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পায় আরশ খানের ওয়েব সিরিজ ‘আঁতকা’। আরাফাত মহসীন নিধি পরিচালিত সিরিজটিতে তাঁর অভিনয় দর্শকের প্রশংসা পেয়েছে। তবে ওটিটিতে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করতে চান তিনি।

আরশের মতে, প্রতিটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব নীতিমালা ও কাজের ধরন রয়েছে। বর্তমানে এই মাধ্যমে অনেক গল্পের প্রস্তাব পেলেও সব গল্প তাঁর পছন্দের সঙ্গে মিলছে না। চ্যালেঞ্জিং চরিত্র ও উপযুক্ত নির্মাতা পেলে নতুন কাজে যুক্ত হতে চান তিনি।

অভিনেতা হিসেবে নিজেকে এখনো পরিপূর্ণ মনে করেন না আরশ খান। প্রতিটি প্রকল্পে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে জানান তিনি। কোনো কাজে সফলতা এলেও অন্য কোনো কাজে প্রত্যাশা পূরণ না-ও হতে পারে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই সামনে এগিয়ে যেতে চান তিনি।

আরশের ভাষায়, চেষ্টা করার জায়গায় তিনি কখনো কমতি রাখেননি। তবে একজন পরিপূর্ণ অভিনেতা হওয়ার যে অবস্থানে পৌঁছাতে চান, সেখানে এখনো পৌঁছাননি। নিজেকে আরও উন্নত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।

অপূর্ণতাকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা মনে করেন

জীবনের সবকিছু প্রত্যাশা অনুযায়ী ঘটে না বলে মনে করেন আরশ খান। কখনো প্রাপ্তি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়, কখনো আবার বেশি। সময় ও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে মানুষ নিজের মতো করে প্রাপ্তিকে গ্রহণ করতে শেখে।

নিজের জীবনদর্শন তুলে ধরে আরশ বলেন, মানুষ অনেকটা পানির মতো—যে পাত্রে থাকে, তার আকার ও অবস্থান অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নেয়। তাঁর মতে, পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই মানুষকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।

অভিনয়জীবনেও এই ভাবনাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। নিখুঁত হয়ে ওঠার অপেক্ষায় থেমে না থেকে নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে শেখা ও উন্নতির পথে থাকতে চান আরশ খান। ভালো-মন্দ প্রতিক্রিয়া থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও সচেতনভাবে কাজ বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়েই এগিয়ে যেতে চান এই অভিনেতা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী

চ্যালেঞ্জিং গল্পে আগ্রহ বেশি, কাজ বাছাইয়ে সচেতন আরশ খান

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

অভিনয়ের ক্ষেত্রে এখন আগের চেয়ে বেশি সচেতন হয়েছেন তরুণ অভিনেতা আরশ খান। দর্শকের প্রশংসা যেমন তাঁকে অনুপ্রাণিত করে, তেমনি সমালোচনা থেকেও শেখার চেষ্টা করেন তিনি। নতুন কাজ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে গল্পের মান, অভিনয়ের চ্যালেঞ্জ এবং সমাজের প্রতি ইতিবাচক বার্তার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে চান এই অভিনেতা।

আরশ খানের ভাষ্য, এখন বেছে বেছে নাটকে অভিনয় করছেন তিনি। গল্প বুঝে এবং নিজের পছন্দের সঙ্গে মিলিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ভালো গল্প পেলে যেকোনো ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে আগ্রহী তিনি। বিশেষ করে চ্যালেঞ্জিং গল্প তাঁকে বেশি আকৃষ্ট করে। অভিনয়ের প্রতি গভীর নিবেদন থেকেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানান এই অভিনেতা।

এক দশকেরও বেশি সময় মঞ্চনাটকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আরশ খান। মায়ের অনুপ্রেরণা ও পরিবারের সহযোগিতা তাঁর পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। নানা বাধা ও ব্যর্থতার মুখেও থেমে না থেকে নিজেকে গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন তিনি।

বর্তমানে টেলিভিশন ও ইউটিউবের নাটকে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে তাঁকে। পছন্দের গল্প পেলে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও কাজ করছেন। গত দেড় মাসে তাঁর অভিনীত প্রায় এক ডজন নাটক মুক্তি পেয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘প্রেম হলো দেরিতে’, ‘আহা একি মায়া’, ‘হঠাৎ ঝুম’, ‘তুমি এসেছিলে পর’, ‘আশিক প্রিয়া’, ‘বাজি’, ‘মায়ারে’, ‘পরিণতি’, ‘বউ পালানোর পরে’, ‘অভিযোগ ছিল না’, ‘তুই আমার শুরু’, ‘তুমি এসেছিলে পরশু’ ও ‘দাদি ভয়ংকর’। এসব নাটকের বেশ কয়েকটি দর্শকের সাড়া পেয়েছে।

দর্শকের প্রতিক্রিয়াকে গুরুত্ব দিচ্ছেন

দেশের নাটকের মান ও গল্পের বৈচিত্র্য নিয়ে দর্শকদের মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা রয়েছে। কেউ গল্প নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন, কেউ আবার নির্মাণের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আরশ খান মনে করেন, দর্শকের রুচি ও পছন্দ এক রকম নয়। প্রত্যেকেরই নিজের পছন্দ অনুযায়ী কাজ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের গল্প দেখতে দর্শক আগ্রহী। এর মধ্যে তাঁর অভিনীত কাজও দর্শক দেখছেন এবং প্রশংসা করছেন। দর্শকের কাছে নিজের অভিনয় পৌঁছে দিতে পারাকে বড় অর্জন হিসেবে দেখেন তিনি।

তবে দর্শকের প্রশংসা পেলেই নিজের কাজ নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়ে যান না আরশ। তাঁর মতে, কিছু নাটকে অভিনয়ের পর ভালো ও খারাপ—দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই পেয়েছেন। কোনো কাজ নিয়ে দর্শক সন্তুষ্ট হলেও নিজের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ভালো কাজ করার আগ্রহ তাঁর কখনোই কমে না। ভবিষ্যতে গল্পের পাশাপাশি সমাজের জন্য ইতিবাচক বার্তা রয়েছে—এমন নাটককে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে চান।

ওটিটিতে চ্যালেঞ্জিং কাজের অপেক্ষা

চলতি বছরের শুরুতে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পায় আরশ খানের ওয়েব সিরিজ ‘আঁতকা’। আরাফাত মহসীন নিধি পরিচালিত সিরিজটিতে তাঁর অভিনয় দর্শকের প্রশংসা পেয়েছে। তবে ওটিটিতে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করতে চান তিনি।

আরশের মতে, প্রতিটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব নীতিমালা ও কাজের ধরন রয়েছে। বর্তমানে এই মাধ্যমে অনেক গল্পের প্রস্তাব পেলেও সব গল্প তাঁর পছন্দের সঙ্গে মিলছে না। চ্যালেঞ্জিং চরিত্র ও উপযুক্ত নির্মাতা পেলে নতুন কাজে যুক্ত হতে চান তিনি।

অভিনেতা হিসেবে নিজেকে এখনো পরিপূর্ণ মনে করেন না আরশ খান। প্রতিটি প্রকল্পে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে জানান তিনি। কোনো কাজে সফলতা এলেও অন্য কোনো কাজে প্রত্যাশা পূরণ না-ও হতে পারে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই সামনে এগিয়ে যেতে চান তিনি।

আরশের ভাষায়, চেষ্টা করার জায়গায় তিনি কখনো কমতি রাখেননি। তবে একজন পরিপূর্ণ অভিনেতা হওয়ার যে অবস্থানে পৌঁছাতে চান, সেখানে এখনো পৌঁছাননি। নিজেকে আরও উন্নত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।

অপূর্ণতাকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা মনে করেন

জীবনের সবকিছু প্রত্যাশা অনুযায়ী ঘটে না বলে মনে করেন আরশ খান। কখনো প্রাপ্তি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়, কখনো আবার বেশি। সময় ও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে মানুষ নিজের মতো করে প্রাপ্তিকে গ্রহণ করতে শেখে।

নিজের জীবনদর্শন তুলে ধরে আরশ বলেন, মানুষ অনেকটা পানির মতো—যে পাত্রে থাকে, তার আকার ও অবস্থান অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নেয়। তাঁর মতে, পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই মানুষকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।

অভিনয়জীবনেও এই ভাবনাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। নিখুঁত হয়ে ওঠার অপেক্ষায় থেমে না থেকে নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে শেখা ও উন্নতির পথে থাকতে চান আরশ খান। ভালো-মন্দ প্রতিক্রিয়া থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও সচেতনভাবে কাজ বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়েই এগিয়ে যেতে চান এই অভিনেতা।