
দেশে হামের সংক্রমণ এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২০৭ জনে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ হালনাগাদ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৯৫ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এতে ১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে সন্দেহভাজন রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬০ জনে।
একই সময়ে পরীক্ষাগারে ৩৬ জনের দেহে হাম নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে এ পর্যন্ত ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হাম রোগীর মোট সংখ্যা হয়েছে ২৩ হাজার ২৪৮ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত সাড়ে সাত মাসে সন্দেহভাজন হাম নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৬০৮ জন। এঁদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯২৭ জন।
অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট ১ হাজার ২০৭ জনের মধ্যে ১ হাজার ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে সন্দেহভাজন হাম ও এর জটিলতায়। আর পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম রোগীদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১০৪ জনের।
হামের বিস্তার ঠেকাতে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি ও টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সাধারণত জ্বর, সর্দি-কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে ফুসকুড়ি এর প্রধান উপসর্গ। নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়া হামের বিরুদ্ধে সুরক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। শিশুর এসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলছেন স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা।
অধিকার ডেস্কঃ 

























