ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক ‘অপলক’ দিয়ে বড় পর্দায় রাজীব, জুটি হচ্ছেন নিশো-মেহজাবীন জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আহ্বান মার্কিন নির্বাচনের প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে চতুর্থ শ্রেণিতে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি শিক্ষার নতুন বই, জানালেন প্রতিমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধাক্কা, ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাব কি কমছে? খাদ্য অপচয় কমাতে সব মন্ত্রণালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান পোশাকশ্রমিকদের দাবি পূরণে সরকারের প্রতি শফিকুর রহমানের আহ্বান চট্টগ্রামে শ্রমিক হত্যা ও মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির মশাল মিছিল টেস্ট বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে অবনতি তাইজুল ও মিরাজের

ইবিতে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

  • ইবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৭:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৬১ Time View

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে অতিথিরা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের চতুর্থ তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণ কিংবা মুখস্থ করে পরীক্ষার খাতায় লেখার মধ্যেই শিক্ষার উদ্দেশ্য সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি ঐতিহাসিক স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন, তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন তৈরির মাধ্যমে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে। বর্তমান সময়ে এ ধরনের জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে উপাচার্য বলেন, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ কার্যক্রম ও সমন্বিত কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।

একই সঙ্গে বিভাগের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তাঁর মতে, অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণ বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য। তিনি বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে ক্যাম্পাসকে আরও সুন্দর করে গড়ে তোলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। পাশাপাশি কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন এবং দেশসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানানো হয় এবং তাঁদের হাতে সংবর্ধনা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক

ইবিতে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের চতুর্থ তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণ কিংবা মুখস্থ করে পরীক্ষার খাতায় লেখার মধ্যেই শিক্ষার উদ্দেশ্য সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি ঐতিহাসিক স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন, তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন তৈরির মাধ্যমে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে। বর্তমান সময়ে এ ধরনের জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে উপাচার্য বলেন, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ কার্যক্রম ও সমন্বিত কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।

একই সঙ্গে বিভাগের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তাঁর মতে, অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণ বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য। তিনি বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে ক্যাম্পাসকে আরও সুন্দর করে গড়ে তোলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। পাশাপাশি কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন এবং দেশসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানানো হয় এবং তাঁদের হাতে সংবর্ধনা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।