ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
দুই পোশাক কারখানায় ১০২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন একই সড়ক একদিনে দুইবার উদ্বোধন, সকালে জামায়াতের এমপি ও বিকেলে বিএনপির সাবেক এমপি ইবিতে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১২ বিভাগের ২৪ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল ইবিতে প্রয়াত শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম সৈকতের জন্য দোয়া মাহফিল দুই অভিযানে ২৩৪ বোতল বিদেশি মদ ও ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৩, জব্দ প্রাইভেট কার বেরোবিতে ক্যারিয়ার-ভার্সের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন, সভাপতি লাবণ্য ও সম্পাদক মোবাশ্বির কালিয়াকৈরে বেতন ৩০ হাজারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মেসির গোল ও অ্যাসিস্টে নিউ ইংল্যান্ডকে হারাল ইন্টার মায়ামি আমুসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৭ নেতার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ শ্রমিক আন্দোলনে জামায়াত-আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭২ বাংলাদেশি, অনেকেই অপহরণ-নির্যাতনের শিকার

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৫:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৫৩ Time View

লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরেছেন ১৭২ বাংলাদেশি।

ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় গিয়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৭২ বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লিবিয়ার মিসরাতা থেকে ছেড়ে আসা বিশেষ ফ্লাইটটি (ইউজেড-২২২) বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৫১ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে সহযোগিতা করে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

বিমানবন্দরে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা।

মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় লিবিয়ায় প্রবেশ

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দেশে ফেরা অধিকাংশ বাংলাদেশি মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহায়তায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অনিয়মিত পথে ইউরোপে পৌঁছানো।

লিবিয়ায় অবস্থানকালে তাঁদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

মানবপাচার ও অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা ব্যক্তিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মতে, তাঁদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দুর্ভোগের বিবরণ বিপজ্জনক পথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা থেকে অন্যদের নিরুৎসাহিত করতে পারে।

প্রত্যাবাসিতদের পুনর্বাসনে সহায়তা

দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে যাতায়াত খরচ, খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দিয়েছে আইওএম। প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

লিবিয়ায় আটকেপড়া বাংলাদেশিদের, বিশেষ করে আটককেন্দ্রে থাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম লিবিয়া থেকে বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, লিবিয়ার বিভিন্ন আটককেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই পোশাক কারখানায় ১০২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭২ বাংলাদেশি, অনেকেই অপহরণ-নির্যাতনের শিকার

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় গিয়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৭২ বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লিবিয়ার মিসরাতা থেকে ছেড়ে আসা বিশেষ ফ্লাইটটি (ইউজেড-২২২) বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৫১ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে সহযোগিতা করে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

বিমানবন্দরে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা।

মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় লিবিয়ায় প্রবেশ

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দেশে ফেরা অধিকাংশ বাংলাদেশি মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহায়তায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অনিয়মিত পথে ইউরোপে পৌঁছানো।

লিবিয়ায় অবস্থানকালে তাঁদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

মানবপাচার ও অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা ব্যক্তিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মতে, তাঁদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দুর্ভোগের বিবরণ বিপজ্জনক পথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা থেকে অন্যদের নিরুৎসাহিত করতে পারে।

প্রত্যাবাসিতদের পুনর্বাসনে সহায়তা

দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে যাতায়াত খরচ, খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দিয়েছে আইওএম। প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

লিবিয়ায় আটকেপড়া বাংলাদেশিদের, বিশেষ করে আটককেন্দ্রে থাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম লিবিয়া থেকে বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, লিবিয়ার বিভিন্ন আটককেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।