ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বাগাতিপাড়ায় স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি মহিলাদলের মতবিনিময় সভা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত নতুন প্রজন্মের কাছে ৭ নভেম্বরের ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান ময়মনসিংহে এম.পি ওয়াহিদের ইতিহাসে প্রত্যেকের অবদান সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে হবে: নাটোরে হুইপ দুলু রেডি হও জামায়াত, তোমাদের পাকিস্তান পাঠানো হবে- চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাপিয়া জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, ৭ নভেম্বর থেকেই কার্যকর: মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দাম কমার পর যে দামে বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি গাইবান্ধায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলু গ্রেপ্তার

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

বেরোবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ পালিত

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনিক ভবনের দক্ষিণ গেটে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

 পতাকা উত্তোলনের পর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর নেতৃত্বে একটি র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি প্রশাসনিক ভবনের দক্ষিণ গেট থেকে শুরু হয়ে শহীদ আবু সাঈদ চত্বর ঘুরে ক্যাম্পাসের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে ক্যাফেটেরিয়ার সামনে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর, আবাসিক হল ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

 দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার তৃতীয় তলায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন কমিটি-২০২৬-এর আহ্বায়ক ও ইইই বিভাগের প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী। সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, আবাসিক হলের প্রভোস্ট, প্রক্টরসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় ৭ নভেম্বরের চেতনা তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর ভাষ্য, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের মুক্তি ও পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের কারণে দিনটি বিশেষ ঐতিহাসিক গুরুত্ব অর্জন করেছে।

উপাচার্য আরও বলেন, দেশের যেকোনো সংকট ও পরিবর্তনের সময় জাতীয় ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

 বেরোবি ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ও উদযাপন কমিটির সদস্যসচিব মো. মাসুদ রানার সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. তানজিউল ইসলাম, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক দপ্তরের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার খন্দকার গোলাম মোস্তফা, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের প্রিন্সিপাল রিসার্চ অফিসার ড. মো. রোকনুজ্জামান, বেরোবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন, সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার।

আলোচনা শেষে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগাতিপাড়ায় স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি মহিলাদলের মতবিনিময় সভা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:০০:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনিক ভবনের দক্ষিণ গেটে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

 পতাকা উত্তোলনের পর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর নেতৃত্বে একটি র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি প্রশাসনিক ভবনের দক্ষিণ গেট থেকে শুরু হয়ে শহীদ আবু সাঈদ চত্বর ঘুরে ক্যাম্পাসের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে ক্যাফেটেরিয়ার সামনে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর, আবাসিক হল ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

 দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার তৃতীয় তলায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন কমিটি-২০২৬-এর আহ্বায়ক ও ইইই বিভাগের প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী। সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, আবাসিক হলের প্রভোস্ট, প্রক্টরসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় ৭ নভেম্বরের চেতনা তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর ভাষ্য, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের মুক্তি ও পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের কারণে দিনটি বিশেষ ঐতিহাসিক গুরুত্ব অর্জন করেছে।

উপাচার্য আরও বলেন, দেশের যেকোনো সংকট ও পরিবর্তনের সময় জাতীয় ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

 বেরোবি ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ও উদযাপন কমিটির সদস্যসচিব মো. মাসুদ রানার সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. তানজিউল ইসলাম, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক দপ্তরের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার খন্দকার গোলাম মোস্তফা, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের প্রিন্সিপাল রিসার্চ অফিসার ড. মো. রোকনুজ্জামান, বেরোবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন, সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার।

আলোচনা শেষে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।