
পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পশু কোরবানি করছেন মুসলমানরা। শুক্রবার সকাল থেকেই বিভিন্ন মহল্লা, গ্রাম ও শহরে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস বিতরণের দৃশ্য দেখা গেছে।
অনেক পরিবার ঈদের দিনই কোরবানি সম্পন্ন করলেও নানা কারণে কেউ কেউ দ্বিতীয় দিনে পশু কোরবানি করছেন। বিশেষ করে কসাই সংকট, পারিবারিক রীতি কিংবা সুবিধাজনক সময়ের কারণে অনেকে আজ কোরবানি দিয়েছেন।
ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ পর্যন্ত কোরবানির নির্ধারিত সময় রয়েছে। এ কারণে ঈদের দিন কোরবানি দিতে না পারলেও পরবর্তী দুই দিনের মধ্যে কোরবানি আদায় করা বৈধ বলে জানিয়েছেন ধর্মীয় বিশারদরা।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, কোরবানির পর মাংস ভাগ করে আত্মীয়স্বজন ও অসচ্ছল মানুষের মধ্যে বিতরণ করছেন অনেকে। শিশু-কিশোরদের মধ্যেও ঈদের আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো।
এদিকে দ্বিতীয় দিনের কোরবানিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি করপোরেশন। দ্রুত বর্জ্য অপসারণে কাজ করছেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।
ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বলছেন, কোরবানির মূল শিক্ষা হলো ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। সেই চেতনাকে ধারণ করেই তারা ধর্মীয় এ আনুষ্ঠানিকতা পালন করছেন।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 





















