
চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুর্ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য তাসনিম রিফাতের মরদেহের অপেক্ষায় রাজশাহীর পবা উপজেলার বিন্দারামপুর গ্রামের স্বজনরা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বাড়িতে ভিড় করছেন আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা। শোকে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো পরিবেশ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত এবং এক কর্মকর্তা আহত হন বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে।
নিহতদের একজন তাসনিম রিফাত। তিনি চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ১৫ স্বতন্ত্র সাঁজোয়া স্কোয়াড্রনে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনার খবর বুধবার দুপুরেই তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এরপর থেকেই স্বজন ও প্রতিবেশীরা বাড়িতে জড়ো হতে থাকেন।
রিফাতের বাবা আসাদুল ইসলাম একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। ছেলের আকস্মিক মৃত্যুতে তিনি ভেঙে পড়েছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, রিফাত স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে নিয়ে চট্টগ্রাম সেনানিবাসের সরকারি বাসভবনে থাকতেন।
পরিবারের জন্য এই শোক আরও কঠিন হয়ে উঠেছে রিফাতের মায়ের মৃত্যুর কারণে। কয়েক বছর আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তার মা মারা যান। মায়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই ছেলেকে হারিয়ে পরিবারটি নতুন করে শোকে ডুবে গেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে রিফাতের মরদেহ রাজশাহী ক্যান্টনমেন্টে নেওয়া হবে। পরে সেখান থেকে মরদেহ গ্রামের বাড়ি বিন্দারামপুরে নেওয়া হবে। জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।
এদিকে হাটহাজারীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।
অধিকার ডেস্কঃ 





















