ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ তাহসিফ হত্যা মামলা: দীপকে ফের ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতার চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী মজুরি কমিশন গঠন হয়েছে, এখন আন্দোলনের সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী টুকু মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার চেষ্টা, রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি, সতর্ক বিএনপি নেতাকর্মীরাও মিরপুর-১১-তে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, যান চলাচল স্বাভাবিক; আটক ৪ এইচএসসিতে শূন্য পাস ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে, শাস্তির মুখে শিক্ষক-প্রতিষ্ঠানপ্রধান গোপালগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজা ও ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকাসহ আটক ১
নোবিপ্রবিতে

শুরু মেশিন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজিস বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স

নোবিপ্রবিতে মেশিন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজিস (MIET-২০২৬) আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শুরু হয়েছে ‘মেশিন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজিস (MIET)-২০২৬’ শীর্ষক তৃতীয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্স। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী এই কনফারেন্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। সভাপতিত্ব করেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কল্যাণে বর্তমানে যেমন ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, তেমনি নতুন নতুন চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তাই শুধু প্রচলিত শিল্পনির্ভরতা না রেখে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়া জরুরি। তিনি বলেন, সেমিকন্ডাক্টরসহ উচ্চপ্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে কাজ করার বিপুল সুযোগ রয়েছে। জাতীয় ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ এক হাজারেরও বেশি উদ্ভাবন জমা পড়েছে, যেগুলোকে গবেষণা-উন্নয়নের মাধ্যমে বাস্তবমুখী পণ্যে রূপান্তর ও বাজারজাত করার লক্ষ্যে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। এক্ষেত্রে অর্থায়ন গুরুত্বপূর্ণ হলেও সবচেয়ে বড় ঘাটতি উদ্যোগের অভাব। সমন্বিত প্রচেষ্টা থাকলে বেসরকারি খাত ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন পাওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, সাইবার নিরাপত্তা ও রোবোটিকসসহ উদীয়মান প্রযুক্তি বর্তমানে মানুষের জীবন ও সমাজব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনছে। তাই গবেষণাকে গবেষণাগারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধান ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও সবার জন্য সহজলভ্য। এক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ গবেষক, উদ্ভাবক ও প্রযুক্তিবিদ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জানান, এবারের সম্মেলনে প্রায় ৫০টি প্রতিষ্ঠানের গবেষক অংশ নিচ্ছেন এবং গৃহীত গবেষণাপত্রের ২৪ শতাংশে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যা সম্মেলনের আন্তর্জাতিক পরিসর ও গবেষণা সহযোগিতার সম্ভাবনাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। তিনি এই সম্মেলনকে গবেষকদের জন্য চমৎকার একটি প্ল্যাটফর্ম আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি দেশকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউট পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং কনফারেন্সের অর্গানাইজিং চেয়ার মো. ইফতেখারুল আলম ইফাতসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কনফারেন্সে কি-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের বিগ ডেটা অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক ড. লতিফুর খান, পারডু ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মুহাম্মদ এম. হুসেইন, টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক শেখ মো. শরিফুল ইসলাম এবং হিউস্টন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ঝু হান। এছাড়া আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে ছিলেন আহসান উল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অধ্যাপক ড. মো. শামিম আখতার এবং যুক্তরাষ্ট্রের আরগন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির পোস্ট-ডক্টরাল গবেষক ড. আহমেদুর রহমান শোভন।

উল্লেখ্য, এবারের কনফারেন্সে জমা পড়া মোট ৩৩৫টি গবেষণাপত্রের মধ্যে চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছে ৫৪টি। মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, ইন্টারনেট অব থিংস, ক্লাউড কম্পিউটিং, সেন্সিং ও নিরাপত্তার মতো প্রযুক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে গবেষক, শিক্ষাবিদ, শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতবিনিময় এবং সর্বাধুনিক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি করাই এই কনফারেন্সের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশ ছাড়াও ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের দুই শতাধিক গবেষক তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। কনফারেন্সের সহযোগী হিসেবে রয়েছে সেন্টার ফর ন্যাচারাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ (CNSER), ক্রিয়েটিভ ইনস্টিটিউটস অব ক্যারিয়ার্স, টেকনোলজি অ্যান্ড রিসার্চ (CICTR) এবং স্প্রিংগার।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ

নোবিপ্রবিতে

শুরু মেশিন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজিস বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:৪৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শুরু হয়েছে ‘মেশিন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজিস (MIET)-২০২৬’ শীর্ষক তৃতীয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্স। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী এই কনফারেন্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। সভাপতিত্ব করেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কল্যাণে বর্তমানে যেমন ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, তেমনি নতুন নতুন চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তাই শুধু প্রচলিত শিল্পনির্ভরতা না রেখে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়া জরুরি। তিনি বলেন, সেমিকন্ডাক্টরসহ উচ্চপ্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে কাজ করার বিপুল সুযোগ রয়েছে। জাতীয় ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ এক হাজারেরও বেশি উদ্ভাবন জমা পড়েছে, যেগুলোকে গবেষণা-উন্নয়নের মাধ্যমে বাস্তবমুখী পণ্যে রূপান্তর ও বাজারজাত করার লক্ষ্যে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। এক্ষেত্রে অর্থায়ন গুরুত্বপূর্ণ হলেও সবচেয়ে বড় ঘাটতি উদ্যোগের অভাব। সমন্বিত প্রচেষ্টা থাকলে বেসরকারি খাত ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন পাওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, সাইবার নিরাপত্তা ও রোবোটিকসসহ উদীয়মান প্রযুক্তি বর্তমানে মানুষের জীবন ও সমাজব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনছে। তাই গবেষণাকে গবেষণাগারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধান ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও সবার জন্য সহজলভ্য। এক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ গবেষক, উদ্ভাবক ও প্রযুক্তিবিদ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জানান, এবারের সম্মেলনে প্রায় ৫০টি প্রতিষ্ঠানের গবেষক অংশ নিচ্ছেন এবং গৃহীত গবেষণাপত্রের ২৪ শতাংশে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যা সম্মেলনের আন্তর্জাতিক পরিসর ও গবেষণা সহযোগিতার সম্ভাবনাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। তিনি এই সম্মেলনকে গবেষকদের জন্য চমৎকার একটি প্ল্যাটফর্ম আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি দেশকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউট পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং কনফারেন্সের অর্গানাইজিং চেয়ার মো. ইফতেখারুল আলম ইফাতসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কনফারেন্সে কি-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের বিগ ডেটা অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক ড. লতিফুর খান, পারডু ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মুহাম্মদ এম. হুসেইন, টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক শেখ মো. শরিফুল ইসলাম এবং হিউস্টন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ঝু হান। এছাড়া আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে ছিলেন আহসান উল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অধ্যাপক ড. মো. শামিম আখতার এবং যুক্তরাষ্ট্রের আরগন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির পোস্ট-ডক্টরাল গবেষক ড. আহমেদুর রহমান শোভন।

উল্লেখ্য, এবারের কনফারেন্সে জমা পড়া মোট ৩৩৫টি গবেষণাপত্রের মধ্যে চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছে ৫৪টি। মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, ইন্টারনেট অব থিংস, ক্লাউড কম্পিউটিং, সেন্সিং ও নিরাপত্তার মতো প্রযুক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে গবেষক, শিক্ষাবিদ, শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতবিনিময় এবং সর্বাধুনিক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি করাই এই কনফারেন্সের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশ ছাড়াও ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের দুই শতাধিক গবেষক তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। কনফারেন্সের সহযোগী হিসেবে রয়েছে সেন্টার ফর ন্যাচারাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ (CNSER), ক্রিয়েটিভ ইনস্টিটিউটস অব ক্যারিয়ার্স, টেকনোলজি অ্যান্ড রিসার্চ (CICTR) এবং স্প্রিংগার।