
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরে (বেরোবি) পাবনা জেলা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘পাবনা জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ’-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলা বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মাসফিকুল হাসান। আগামী এক বছর তাঁরা সংগঠনটির নেতৃত্ব দেবেন।
নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও নতুন কমিটি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সংগঠনের উপদেষ্টা, বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থী ও নবীনরা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮তম ব্যাচের নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়।
সংগঠনের উপদেষ্টা ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মতিউর রহমান নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন। এ সময় মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোছা. শিউলী আক্তারসহ অন্য উপদেষ্টারাও উপস্থিত ছিলেন। উপদেষ্টারা নবগঠিত কমিটিকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
ঘোষিত নয় সদস্যের আংশিক কমিটিতে অন্যান্য পদে দায়িত্ব পেয়েছেন:
- সহসভাপতি: এস এম ইফতেখার
- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মো. ইয়াহিয়া
- সাংগঠনিক সম্পাদক: জায়েদ আলম
- কোষাধ্যক্ষ: তানভীর আহমেদ
- দপ্তর সম্পাদক: কাজী সিয়াম হোসেন
- প্রচার সম্পাদক: অন্তিম
- নারী বিষয়ক সম্পাদক: মীনা খাতুন
আগামী ১৪ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নবনির্বাচিত সভাপতি শাহাদাত হোসেন বলেন, “পাবনা জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ সব সময় শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে এসেছে। এটি শুধু পরিচিতির জায়গা নয়, আমাদের ঐক্যের প্রতীকও। নতুন কমিটি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করবে।”
সাধারণ সম্পাদক মাসফিকুল হাসান বলেন, “এই দায়িত্ব আমার জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি বড় দায়িত্বও। পাবনা জেলার শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নে আমরা কাজ করব এবং যেকোনো প্রয়োজনে তাঁদের পাশে থাকব। সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীরা আয়োজনে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, ক্যাম্পাসে পাবনা জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি, বন্ধুত্ব, সহমর্মিতা ও সহযোগিতা বাড়াতে এই সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি পাবনা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, সামাজিক যোগাযোগ ও কল্যাণমূলক কাজে সহায়তা আরও বাড়বে।
জুবায়ের আল হাসান, বেরোবি প্রতিনিধিঃ 





















