ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ তাহসিফ হত্যা মামলা: দীপকে ফের ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতার চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী মজুরি কমিশন গঠন হয়েছে, এখন আন্দোলনের সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী টুকু মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার চেষ্টা, রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি, সতর্ক বিএনপি নেতাকর্মীরাও মিরপুর-১১-তে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, যান চলাচল স্বাভাবিক; আটক ৪ এইচএসসিতে শূন্য পাস ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে, শাস্তির মুখে শিক্ষক-প্রতিষ্ঠানপ্রধান গোপালগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজা ও ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকাসহ আটক ১

এইচএসসিতে কুমিল্লা বোর্ডের ১৫ প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১০:২৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৪৪ Time View

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় কেউ পাস করেননি।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানে মোট ৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সাতজন এবং তিনটি প্রতিষ্ঠানে মাত্র একজন করে পরীক্ষার্থী ছিলেন।

শনিবার বেলা ১১টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বোর্ডের তথ্যমতে, একজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন এমন তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার সুরুজ মেমোরিয়াল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুরের পৌর শহীদ জাবেদ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লক্ষ্মীপুরের কেমব্রিজ সিটি কলেজ।

দুজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বগৈর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার ড. এম সামছুল হক মডেল কলেজ।

তিনজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়া দুটি প্রতিষ্ঠান হলো ফেনী সদর উপজেলার বেগম সামছুন্নাহার বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মমতাজ উদ্দিন আখন্দ কলেজ।

এ ছাড়া পাঁচজন করে পরীক্ষার্থী ছিল কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অধ্যাপক সেকান্দর আলী ভূঁইয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আপার মডেল কলেজে। লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ছয়জন।

সর্বোচ্চ সাতজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়া তিনটি প্রতিষ্ঠান হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ফজুমিয়ারহাট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ফেনী সদর উপজেলার বিকন মডেল কলেজ।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. আহসান পারভেজ বলেন, শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও ছিল নামমাত্র।

তিনি আরও জানান, শিগগিরই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। তাঁদের জবাব সন্তোষজনক না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ

এইচএসসিতে কুমিল্লা বোর্ডের ১৫ প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য

প্রকাশের সময়ঃ ১০:২৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানে মোট ৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সাতজন এবং তিনটি প্রতিষ্ঠানে মাত্র একজন করে পরীক্ষার্থী ছিলেন।

শনিবার বেলা ১১টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বোর্ডের তথ্যমতে, একজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন এমন তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার সুরুজ মেমোরিয়াল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুরের পৌর শহীদ জাবেদ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লক্ষ্মীপুরের কেমব্রিজ সিটি কলেজ।

দুজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বগৈর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার ড. এম সামছুল হক মডেল কলেজ।

তিনজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়া দুটি প্রতিষ্ঠান হলো ফেনী সদর উপজেলার বেগম সামছুন্নাহার বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মমতাজ উদ্দিন আখন্দ কলেজ।

এ ছাড়া পাঁচজন করে পরীক্ষার্থী ছিল কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অধ্যাপক সেকান্দর আলী ভূঁইয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আপার মডেল কলেজে। লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ছয়জন।

সর্বোচ্চ সাতজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়া তিনটি প্রতিষ্ঠান হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ফজুমিয়ারহাট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ফেনী সদর উপজেলার বিকন মডেল কলেজ।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. আহসান পারভেজ বলেন, শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও ছিল নামমাত্র।

তিনি আরও জানান, শিগগিরই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। তাঁদের জবাব সন্তোষজনক না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।