ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
প্রতারণা মামলায় বিদিশার দুই বছরের কারাদণ্ড সিরাজদিখানে শিশু রামিসার দাফন সম্পন্ন-বিচার দাবিতে বিক্ষোভ সাত মাস পর উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র অপরাধ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে থানায় আত্মসমর্পণ উমানের রোগীর খাবার মুখে নিয়েই ফেলে দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তোপের মুখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নাচোলে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৪, উদ্ধার ছিনতাই হওয়া ভ্যানগাড়ি ভেজাল প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান – বিভাগীয় কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তঃজেলা অটোচোর চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে গৃহ শিক্ষিকার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩ দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় আরও ৩ গ্রেফতার

অপরাধ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে থানায় আত্মসমর্পণ উমানের

২০ মে বুধবার সকালে ভৈরবে থানায় হাজির হয় ২০/২৫ জন পরিবারের স্বজন ও বন্ধুদের নিয়ে।

ভাল হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভৈরব থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন একাধিক মামলার আসামি উমান মিয়া (৩২)। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক, মারামারি ও হত্যাসহ রয়েছে ১০টি মামলা। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় দীর্ঘদিন পলাতক ছিল সে। ২০ মে বুধবার সকালে ভৈরবে থানায় হাজির হয়েছেন ২০/২৫ জন পরিবারের স্বজন ও বন্ধুদের নিয়ে। এ সময় ভাল হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে করেছেন ভৈরব থানা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ। উমান পৌর শহরের ভৈরব উত্তর পাড়া এলাকার অহিদ মিয়ার ছেলে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত উমান মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভৈরব থানা এলাকাসহ আশেপাশের এলাকায় মাদক চোরাচালান ও ব্যবসার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিল। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে এবং সে একাধিক গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি।
পুলিশ সূত্রে আরো জানা যায, সাধারণ মানুষকে মাদকের নেশায় ধ্বংস করে, অবৈধ মাদক ব্যবসার কালো টাকায় উমান মিয়া এলাকায় একটি বাড়ি নির্মাণ করেছে। দীর্ঘদিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে চললেও শেষ রক্ষা হয়নি তার।
এদিকে আত্মসমর্পণের বিষয়টি পুলিশ এড়িয়ে গেলেও আসামির চাচা আর কে রিসান কবির বলেন, আমার বাতিজা অন্ধকার জগৎ থেকে বের হয়ে ভালো হতে চাই। উমান ইতোমধ্যে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে। বিভিন্ন হালাল ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছে। সে ভাল হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়ায় আমরাও তার সাথে থানায় এসে তাকে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করিয়েছি।
ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ জেলার সকল থানা পুলিশের কঠোর অবস্থান ও জিরো টলারেন্স নীতি এগিয়ে যাচ্ছে। কিশোরগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত সকল অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আসামি উমানকে ধরতে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আজ কৌশলে উমানকে ধরা হয়েছে। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। আগামীতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতারণা মামলায় বিদিশার দুই বছরের কারাদণ্ড

অপরাধ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে থানায় আত্মসমর্পণ উমানের

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৫৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

ভাল হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভৈরব থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন একাধিক মামলার আসামি উমান মিয়া (৩২)। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক, মারামারি ও হত্যাসহ রয়েছে ১০টি মামলা। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় দীর্ঘদিন পলাতক ছিল সে। ২০ মে বুধবার সকালে ভৈরবে থানায় হাজির হয়েছেন ২০/২৫ জন পরিবারের স্বজন ও বন্ধুদের নিয়ে। এ সময় ভাল হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে করেছেন ভৈরব থানা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ। উমান পৌর শহরের ভৈরব উত্তর পাড়া এলাকার অহিদ মিয়ার ছেলে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত উমান মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভৈরব থানা এলাকাসহ আশেপাশের এলাকায় মাদক চোরাচালান ও ব্যবসার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিল। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে এবং সে একাধিক গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি।
পুলিশ সূত্রে আরো জানা যায, সাধারণ মানুষকে মাদকের নেশায় ধ্বংস করে, অবৈধ মাদক ব্যবসার কালো টাকায় উমান মিয়া এলাকায় একটি বাড়ি নির্মাণ করেছে। দীর্ঘদিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে চললেও শেষ রক্ষা হয়নি তার।
এদিকে আত্মসমর্পণের বিষয়টি পুলিশ এড়িয়ে গেলেও আসামির চাচা আর কে রিসান কবির বলেন, আমার বাতিজা অন্ধকার জগৎ থেকে বের হয়ে ভালো হতে চাই। উমান ইতোমধ্যে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে। বিভিন্ন হালাল ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছে। সে ভাল হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়ায় আমরাও তার সাথে থানায় এসে তাকে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করিয়েছি।
ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ জেলার সকল থানা পুলিশের কঠোর অবস্থান ও জিরো টলারেন্স নীতি এগিয়ে যাচ্ছে। কিশোরগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত সকল অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আসামি উমানকে ধরতে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আজ কৌশলে উমানকে ধরা হয়েছে। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। আগামীতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।