ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোরে মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মামুনের মৃত্যু, মায়ের কবরের পাশেই দাফন মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হত্যা: স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতা বহিষ্কার নজরুল বর্ষ উপলক্ষে এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল ও রামদাসহ আটক ২ ভৈরবে বিয়ের পরদিন স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ নববধূর নিখোঁজ, থানায় অভিযোগ বেরোবিতে গবেষণা বিষয়ক সেমিনার: আইডিয়া জেনারেশন থেকে প্রকাশনা পর্যন্ত দিকনির্দেশনা ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ তাহসিফ হত্যা মামলা: দীপকে ফের ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতার চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা

দিল্লিতে বিক্ষোভ: ককরোচ পার্টির দুই নেতা পাঁচ দিনের বিচারিক হেফাজতে

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১১:১২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৬০ Time View

দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির দুই মুখপাত্রকে পাঁচ দিনের বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ করার অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে তাঁদের পাঁচ দিনের বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়।

এর আগে মঙ্গলবার যন্তর মন্তরের বন্ধ ফটক টপকে ভেতরে প্রবেশের অভিযোগে তাঁদের আটক করে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ আদালতের এ পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর দাবি, যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জন্যই সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে অভিজিৎ বলেন, বিরোধী মত দমনের চেষ্টা না করে সরকার চাইলে সরাসরি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে সৌরভ ও আশুতোষের সঙ্গে সিজেপির জাতীয় সংগঠনবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত আজিনকিয়া শিন্দে এবং দলের আরও কয়েকজন নেতা যন্তর মন্তরে পৌঁছান। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বন্ধ ফটক টপকে তাঁরা ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় পুলিশ তাঁদের বাধা দেয় এবং আটক করে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি

সিজেপির এই আন্দোলনের মূল দাবি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।

তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মামুনের মৃত্যু, মায়ের কবরের পাশেই দাফন

দিল্লিতে বিক্ষোভ: ককরোচ পার্টির দুই নেতা পাঁচ দিনের বিচারিক হেফাজতে

প্রকাশের সময়ঃ ১১:১২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ করার অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে তাঁদের পাঁচ দিনের বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়।

এর আগে মঙ্গলবার যন্তর মন্তরের বন্ধ ফটক টপকে ভেতরে প্রবেশের অভিযোগে তাঁদের আটক করে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ আদালতের এ পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর দাবি, যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জন্যই সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে অভিজিৎ বলেন, বিরোধী মত দমনের চেষ্টা না করে সরকার চাইলে সরাসরি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে সৌরভ ও আশুতোষের সঙ্গে সিজেপির জাতীয় সংগঠনবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত আজিনকিয়া শিন্দে এবং দলের আরও কয়েকজন নেতা যন্তর মন্তরে পৌঁছান। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বন্ধ ফটক টপকে তাঁরা ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় পুলিশ তাঁদের বাধা দেয় এবং আটক করে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি

সিজেপির এই আন্দোলনের মূল দাবি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।

তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।