ঢাকা ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ তাহসিফ হত্যা মামলা: দীপকে ফের ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতার চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী মজুরি কমিশন গঠন হয়েছে, এখন আন্দোলনের সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী টুকু মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার চেষ্টা, রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি, সতর্ক বিএনপি নেতাকর্মীরাও মিরপুর-১১-তে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, যান চলাচল স্বাভাবিক; আটক ৪ এইচএসসিতে শূন্য পাস ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে, শাস্তির মুখে শিক্ষক-প্রতিষ্ঠানপ্রধান গোপালগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজা ও ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকাসহ আটক ১

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে ইরানে উদারপন্থী ও কট্টরপন্থীদের দ্বন্দ্ব তীব্র

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১০:৫১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৫৫ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে মতবিরোধ তীব্র হয়েছে; চাপে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসান ও সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমঝোতা নিয়ে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মতবিরোধ আরও তীব্র হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সরকার যখন আলোচনার পথ খোলা রাখার চেষ্টা করছে, তখন কট্টরপন্থী রাজনৈতিক গোষ্ঠী ‘ফ্রন্ট অব ইসলামিক রেভল্যুশনারি স্ট্যাবিলিটি’ বা ‘পায়দারি ফ্রন্ট’ যেকোনো সমঝোতার বিরোধিতা করছে।

কট্টরপন্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পরিবর্তে কঠোর অবস্থান নেওয়ার দাবি জানাচ্ছে। এমনকি দেশের অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ বন্ধ করতে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে ইরানকে প্রত্যাহারের আহ্বানও জানিয়েছে তারা। সম্প্রতি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বিরুদ্ধে অভিশংসনের উদ্যোগ এবং বিদেশি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার বিষয়ে কঠোর আইন প্রণয়নের প্রচেষ্টাও এই বিরোধকে সামনে এনেছে।

যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকটে চাপে তেহরান

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সংঘাত ইরানকে গভীর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সংকটে ফেলেছে। পাল্টাপাল্টি হামলা, জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতি এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহেও প্রভাব পড়েছে।

যুদ্ধের চাপের পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা, তেল রপ্তানিতে বাধা ও মূল্যস্ফীতি ইরানের অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করেছে। এ পরিস্থিতিতে সংঘাতের অবসান এবং অর্থনৈতিক চাপ কমাতে কূটনৈতিক যোগাযোগের সুযোগ ধরে রাখতে চাইছে পেজেশকিয়ান প্রশাসন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ফল নিয়ে ইরানের নেতৃত্বের মধ্যেও অবিশ্বাস রয়েছে।

পায়দারি ফ্রন্টের কঠোর অবস্থান

পায়দারি ফ্রন্টের ঘনিষ্ঠ পার্লামেন্ট সদস্য আমির হোসেন সাবেতি মনে করেন, বিশ্বে শক্তির ভাষাই কার্যকর। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা উচিত নয়।

গোষ্ঠীটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের পর তাঁকে অভিশংসনের দাবি জানিয়ে পার্লামেন্টে প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়।

তবে আরাগচির বিরুদ্ধে অভিশংসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রস্তাবটি তাৎক্ষণিকভাবে পূর্ণাঙ্গ সংসদীয় প্রক্রিয়ায় এগিয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এ উদ্যোগের পরিণতি এখনো অনিশ্চিত।

বিদেশি গণমাধ্যমে বক্তব্য নিয়েও বিতর্ক

বিদেশি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়াকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করার একটি আইন নিয়েও আলোচনা করছে কট্টরপন্থীরা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ কার্যকর হলে সাংবাদিকতা, তথ্যপ্রবাহ এবং সরকারি নীতির সমালোচনা করার সুযোগ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পার্লামেন্টে চাপ সৃষ্টি ও রাজপথে বিক্ষোভের মাধ্যমে কট্টরপন্থীরা সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগকে জটিল করে তুলতে পারে। তবে তাদের রাজনৈতিক প্রভাব থাকলেও ইরানের পররাষ্ট্রনীতি ও নিরাপত্তা বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেবল তাদের হাতে নেই।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের ভূমিকা

ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোয় সর্বোচ্চ নেতা এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতার বিষয়ে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত এলে কট্টরপন্থীদের বিরোধিতা সত্ত্বেও আলোচনা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পায়দারি ফ্রন্টের মতো গোষ্ঠী কূটনৈতিক উদ্যোগে বাধা ও জটিলতা তৈরি করতে পারলেও সব ক্ষেত্রে তা সম্পূর্ণভাবে ঠেকাতে সক্ষম নয়। অতীতের পারমাণবিক চুক্তি নিয়েও কট্টরপন্থীদের বিরোধিতা ছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও রাজনৈতিক চাপের পাশাপাশি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চলছে।

সমঝোতা নাকি কঠোর অবস্থান—দ্বিধায় ইরানের রাজনীতি

একদিকে যুদ্ধের চাপ, অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কমানোর প্রয়োজন; অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অবিশ্বাস এবং কট্টরপন্থীদের আপসহীন অবস্থান—সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে ইরান সরকার।

আরাগচির বিরুদ্ধে অভিশংসনের উদ্যোগ এবং আলোচনার বিরোধিতার মধ্যেও কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে যুদ্ধের অবসান, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল এবং নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কোনো সমঝোতা হবে কি না, তা নির্ভর করছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে ইরানে উদারপন্থী ও কট্টরপন্থীদের দ্বন্দ্ব তীব্র

প্রকাশের সময়ঃ ১০:৫১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসান ও সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমঝোতা নিয়ে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মতবিরোধ আরও তীব্র হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সরকার যখন আলোচনার পথ খোলা রাখার চেষ্টা করছে, তখন কট্টরপন্থী রাজনৈতিক গোষ্ঠী ‘ফ্রন্ট অব ইসলামিক রেভল্যুশনারি স্ট্যাবিলিটি’ বা ‘পায়দারি ফ্রন্ট’ যেকোনো সমঝোতার বিরোধিতা করছে।

কট্টরপন্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পরিবর্তে কঠোর অবস্থান নেওয়ার দাবি জানাচ্ছে। এমনকি দেশের অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ বন্ধ করতে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে ইরানকে প্রত্যাহারের আহ্বানও জানিয়েছে তারা। সম্প্রতি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বিরুদ্ধে অভিশংসনের উদ্যোগ এবং বিদেশি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার বিষয়ে কঠোর আইন প্রণয়নের প্রচেষ্টাও এই বিরোধকে সামনে এনেছে।

যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকটে চাপে তেহরান

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সংঘাত ইরানকে গভীর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সংকটে ফেলেছে। পাল্টাপাল্টি হামলা, জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতি এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহেও প্রভাব পড়েছে।

যুদ্ধের চাপের পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা, তেল রপ্তানিতে বাধা ও মূল্যস্ফীতি ইরানের অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করেছে। এ পরিস্থিতিতে সংঘাতের অবসান এবং অর্থনৈতিক চাপ কমাতে কূটনৈতিক যোগাযোগের সুযোগ ধরে রাখতে চাইছে পেজেশকিয়ান প্রশাসন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ফল নিয়ে ইরানের নেতৃত্বের মধ্যেও অবিশ্বাস রয়েছে।

পায়দারি ফ্রন্টের কঠোর অবস্থান

পায়দারি ফ্রন্টের ঘনিষ্ঠ পার্লামেন্ট সদস্য আমির হোসেন সাবেতি মনে করেন, বিশ্বে শক্তির ভাষাই কার্যকর। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা উচিত নয়।

গোষ্ঠীটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের পর তাঁকে অভিশংসনের দাবি জানিয়ে পার্লামেন্টে প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়।

তবে আরাগচির বিরুদ্ধে অভিশংসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রস্তাবটি তাৎক্ষণিকভাবে পূর্ণাঙ্গ সংসদীয় প্রক্রিয়ায় এগিয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এ উদ্যোগের পরিণতি এখনো অনিশ্চিত।

বিদেশি গণমাধ্যমে বক্তব্য নিয়েও বিতর্ক

বিদেশি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়াকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করার একটি আইন নিয়েও আলোচনা করছে কট্টরপন্থীরা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ কার্যকর হলে সাংবাদিকতা, তথ্যপ্রবাহ এবং সরকারি নীতির সমালোচনা করার সুযোগ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পার্লামেন্টে চাপ সৃষ্টি ও রাজপথে বিক্ষোভের মাধ্যমে কট্টরপন্থীরা সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগকে জটিল করে তুলতে পারে। তবে তাদের রাজনৈতিক প্রভাব থাকলেও ইরানের পররাষ্ট্রনীতি ও নিরাপত্তা বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেবল তাদের হাতে নেই।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের ভূমিকা

ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোয় সর্বোচ্চ নেতা এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতার বিষয়ে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত এলে কট্টরপন্থীদের বিরোধিতা সত্ত্বেও আলোচনা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পায়দারি ফ্রন্টের মতো গোষ্ঠী কূটনৈতিক উদ্যোগে বাধা ও জটিলতা তৈরি করতে পারলেও সব ক্ষেত্রে তা সম্পূর্ণভাবে ঠেকাতে সক্ষম নয়। অতীতের পারমাণবিক চুক্তি নিয়েও কট্টরপন্থীদের বিরোধিতা ছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও রাজনৈতিক চাপের পাশাপাশি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চলছে।

সমঝোতা নাকি কঠোর অবস্থান—দ্বিধায় ইরানের রাজনীতি

একদিকে যুদ্ধের চাপ, অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কমানোর প্রয়োজন; অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অবিশ্বাস এবং কট্টরপন্থীদের আপসহীন অবস্থান—সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে ইরান সরকার।

আরাগচির বিরুদ্ধে অভিশংসনের উদ্যোগ এবং আলোচনার বিরোধিতার মধ্যেও কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে যুদ্ধের অবসান, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল এবং নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কোনো সমঝোতা হবে কি না, তা নির্ভর করছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর।