ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সংগৃহীত ছবি।

চলতি জুন মাসের শেষ সপ্তাহে সরকারি সফরে চীন যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত সপ্তম চায়না-সাউথ এশিয়া কো-অপারেশন ফোরামে অংশ নিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্বিতীয় বিদেশ সফরের গন্তব্য হিসেবে চীনকে বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার মতে, এই সফর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং দুই দেশের সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ভিত্তি দীর্ঘদিনের। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের অগ্রযাত্রায় তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। একই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৯৯১ ও ২০০২ সালের চীন সফরও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে।

ফোরামে আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে পর্যবেক্ষক (Observer) রাষ্ট্র হিসেবে চীন সার্ককে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণের চাপ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব বৈশ্বিক সমস্যা এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:০৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

চলতি জুন মাসের শেষ সপ্তাহে সরকারি সফরে চীন যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত সপ্তম চায়না-সাউথ এশিয়া কো-অপারেশন ফোরামে অংশ নিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্বিতীয় বিদেশ সফরের গন্তব্য হিসেবে চীনকে বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার মতে, এই সফর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং দুই দেশের সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ভিত্তি দীর্ঘদিনের। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের অগ্রযাত্রায় তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। একই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৯৯১ ও ২০০২ সালের চীন সফরও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে।

ফোরামে আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে পর্যবেক্ষক (Observer) রাষ্ট্র হিসেবে চীন সার্ককে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণের চাপ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব বৈশ্বিক সমস্যা এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।