ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

চুয়াডাঙ্গায় ৩৮ ডিগ্রিতে বইছে মাঝারি তাপপ্রবাহ

৩ জুন চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

কয়েকদিনের বিরতির পর আবারও চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়ায় তাপদাহের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেলে জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা জনজীবনে অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, বেলা ৩টায় চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৪৭ শতাংশ। ফলে গরমের তীব্রতা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে।

এর আগে গত ১৮ মে জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে বৃষ্টিপাতের কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসে। গত ১ জুন তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২ জুন ছিল ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা আবারও বেড়ে ৩৮ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে।

সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রখর রোদ ও গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক, দিনমজুর এবং বাইরে কাজ করা বিভিন্ন পেশার মানুষ তীব্র গরমে কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। একই সঙ্গে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদেরও ভোগান্তি বেড়েছে।

শহরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার এলাকায় দুপুরের পর মানুষের চলাচল তুলনামূলক কম দেখা গেছে। প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। তীব্র রোদে ছাতা, টুপি ও পানির বোতল নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, “আজ বেলা ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বর্তমানে চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে আগামীকাল তাপমাত্রা প্রায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে।”

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা তাপপ্রবাহের সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং শিশু ও বয়স্কদের বিশেষভাবে সতর্ক রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি সময়ে আবারও তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে চুয়াডাঙ্গার জনজীবনে অস্বস্তি ফিরে এসেছে। বৃষ্টি না হলে আগামী কয়েকদিন গরমের এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় ৩৮ ডিগ্রিতে বইছে মাঝারি তাপপ্রবাহ

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

কয়েকদিনের বিরতির পর আবারও চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়ায় তাপদাহের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেলে জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা জনজীবনে অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, বেলা ৩টায় চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৪৭ শতাংশ। ফলে গরমের তীব্রতা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে।

এর আগে গত ১৮ মে জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে বৃষ্টিপাতের কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসে। গত ১ জুন তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২ জুন ছিল ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা আবারও বেড়ে ৩৮ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে।

সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রখর রোদ ও গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক, দিনমজুর এবং বাইরে কাজ করা বিভিন্ন পেশার মানুষ তীব্র গরমে কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। একই সঙ্গে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদেরও ভোগান্তি বেড়েছে।

শহরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার এলাকায় দুপুরের পর মানুষের চলাচল তুলনামূলক কম দেখা গেছে। প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। তীব্র রোদে ছাতা, টুপি ও পানির বোতল নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, “আজ বেলা ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বর্তমানে চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে আগামীকাল তাপমাত্রা প্রায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে।”

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা তাপপ্রবাহের সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং শিশু ও বয়স্কদের বিশেষভাবে সতর্ক রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি সময়ে আবারও তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে চুয়াডাঙ্গার জনজীবনে অস্বস্তি ফিরে এসেছে। বৃষ্টি না হলে আগামী কয়েকদিন গরমের এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।