ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
মহেশখালীর সংরক্ষিত বনে সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা নদী দূষণ রোধে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব হাসপাতালের জন্য পরিপত্র জারির নির্দেশ- হাইকোর্ট হাফিজুরের জামিন স্থগিত, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ প্রেমিকার বিয়ের দিন নিভে গেল এক তরুণের স্বপ্ন- ফেসবুকে শেষ বিদায় গণহত্যার ঘটনায় আ.লীগ প্রত্যক্ষ, ভারত পরোক্ষভাবে দায়ী-রাশেদ প্রধান ‘জুলাই শহীদদের জন্য কী করেছেন?’-ইশরাকের প্রশ্নের জবাবে যা বললেন সারজিস আলম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সাংবাদিকের ওপর বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাকর্মীর হামলা- প্রতিবাদে মানববন্ধন রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কা, পাওয়ার টিলারচালক যুবকের প্রাণহানি

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব শেষ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে তিনি জানান, বিষয়টি সর্বজনবিদিত এবং নিজের অসুস্থতার কারণেই এই সিদ্ধান্ত।

এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে একই দিন বিকেলে জাতীয় সংসদে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকেন স্পিকার।

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন

পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে নিষ্ঠা, সততা ও সংবিধানের প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকারের পতনের পর দেশে সৃষ্ট শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত গ্রহণ করেন তিনি এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করে, যার ফলাফলের ভিত্তিতে গঠিত হয় বর্তমান সরকার। নিজের ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

পদত্যাগপত্রে নিজের অসুস্থতার বিষয়ে সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন, তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন এবং তার হৃদযন্ত্রে ইতিমধ্যে বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার শরীরে অটোনমিক নিউরোপ্যাথি রোগ শনাক্ত হয়েছে, যে কারণে তিনি মাঝেমধ্যে সাময়িকভাবে অচেতন হয়ে পড়েন বলে জানান। এই শারীরিক জটিলতা ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না উল্লেখ করে সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানান তিনি।

পদ শূন্য হওয়ায় কে দায়িত্ব পালন করবেন

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন স্পিকার। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে এবং সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

কে হতে পারেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি

বর্তমান সংসদে ক্ষমতাসীন দল হিসেবে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীরই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে তা নিয়ে দলটির শীর্ষপর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

পদত্যাগ নিয়ে যা ঘটেছে

গত কয়েকদিন ধরেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বিদায়ের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

এমন প্রেক্ষাপটে শুক্রবার দুপুরে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, যিনি চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই ব্যাংককে গিয়েছিলেন। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রোববার ফেরার কথা থাকলেও দুই দিন আগেই দেশে ফেরেন তিনি। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তখন তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পাঁচ বছর মেয়াদে দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. সাহাবুদ্দিন, যার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় পৌনে দুই বছর আগেই তিনি পদত্যাগ করলেন।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি পদে তার অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-বিতর্ক চলছিল, যা নতুন সরকার গঠনের পর আরও জোরালো হয়। অবশেষে তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে পরিবর্তন ঘটল।

৭৬ বছর বয়সী মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ বছর মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। সাংবিধানিকভাবে মূলত আনুষ্ঠানিক এই পদটি ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিশেষ গুরুত্ব পায় বলে মনে করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহেশখালীর সংরক্ষিত বনে সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে তিনি জানান, বিষয়টি সর্বজনবিদিত এবং নিজের অসুস্থতার কারণেই এই সিদ্ধান্ত।

এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে একই দিন বিকেলে জাতীয় সংসদে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকেন স্পিকার।

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন

পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে নিষ্ঠা, সততা ও সংবিধানের প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকারের পতনের পর দেশে সৃষ্ট শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত গ্রহণ করেন তিনি এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করে, যার ফলাফলের ভিত্তিতে গঠিত হয় বর্তমান সরকার। নিজের ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

পদত্যাগপত্রে নিজের অসুস্থতার বিষয়ে সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন, তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন এবং তার হৃদযন্ত্রে ইতিমধ্যে বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার শরীরে অটোনমিক নিউরোপ্যাথি রোগ শনাক্ত হয়েছে, যে কারণে তিনি মাঝেমধ্যে সাময়িকভাবে অচেতন হয়ে পড়েন বলে জানান। এই শারীরিক জটিলতা ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না উল্লেখ করে সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানান তিনি।

পদ শূন্য হওয়ায় কে দায়িত্ব পালন করবেন

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন স্পিকার। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে এবং সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

কে হতে পারেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি

বর্তমান সংসদে ক্ষমতাসীন দল হিসেবে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীরই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে তা নিয়ে দলটির শীর্ষপর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

পদত্যাগ নিয়ে যা ঘটেছে

গত কয়েকদিন ধরেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বিদায়ের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

এমন প্রেক্ষাপটে শুক্রবার দুপুরে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, যিনি চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই ব্যাংককে গিয়েছিলেন। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রোববার ফেরার কথা থাকলেও দুই দিন আগেই দেশে ফেরেন তিনি। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তখন তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পাঁচ বছর মেয়াদে দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. সাহাবুদ্দিন, যার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় পৌনে দুই বছর আগেই তিনি পদত্যাগ করলেন।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি পদে তার অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-বিতর্ক চলছিল, যা নতুন সরকার গঠনের পর আরও জোরালো হয়। অবশেষে তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে পরিবর্তন ঘটল।

৭৬ বছর বয়সী মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ বছর মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। সাংবিধানিকভাবে মূলত আনুষ্ঠানিক এই পদটি ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিশেষ গুরুত্ব পায় বলে মনে করা হয়।