
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা ও তিন নারীসহ আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার সকালে উখিয়ায় দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) উপ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮ ইস্টের বি-৪০ ও বি-৪১ ব্লক এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় এলাকায় একাধিক গুলির শব্দ শোনা যায়। এতে ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক বাসিন্দা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।
ঘটনার সময় পাঁচ বছর বয়সী মোজাহেদ মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত মোজাহেদ ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা নূর আলমের ছেলে।
এ ঘটনায় মোজাহেদের মা তাহেরা বেগমসহ আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজন নারী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ) এবং রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং কারা এতে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকে অভিযানও চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি 
























