ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় নতুন ভোটকেন্দ্রের দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি বোয়ালখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, পরিচয় মিলল হাসপাতালের ছাড়পত্রে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, বিনিয়োগ ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হিলি স্থলবন্দরে অনির্দিষ্টকালের জন্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ দ্বিতীয় ঢল ছোট হলেও ভয়াবহ হতে পারে, সতর্ক করলেন বন্যা বিশেষজ্ঞ আসিয়ান কাপ সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজমেন্টে পরিবর্তন মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, তথ্য দিলেই ১০ হাজার টাকা পুরস্কার চর কুকরি-মুকরিতে সড়ক নির্মাণে রডের বদলে লোহার নেট ব্যবহারের অভিযোগ মাধবদীতে বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ, ৩ কিলোমিটার যানজট সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

বই দেখে পরীক্ষা দেওয়ার ভিডিও, গাংনীতে ২ সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৯:২৭:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৪৬ Time View

গাংনীর কাজিপুর ডিগ্রি কলেজে পরীক্ষা চলাকালে অনিয়মের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

মেহেরপুরের গাংনীতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন। শুক্রবার উপজেলার কাজিপুর ডিগ্রি কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিকরা হলেন নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহম্মেদ এবং দৈনিক খবরের কাগজের জেলা প্রতিনিধি এসএম তারিক। এ ঘটনায় শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লব ও বাবর আলীর নাম উল্লেখ করে আরও সাত থেকে আটজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে গাংনী থানায় মামলা করেছেন সাংবাদিক রাব্বি আহাম্মেদ।

রাব্বি আহাম্মেদ জানান, অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষার্থীদের বই দেখে উত্তর লেখার সুযোগ দেওয়ার খবর পেয়ে তারা কাজিপুর ডিগ্রি কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে বই দেখে পরীক্ষা দিতে দেখেন। বিষয়টির ভিডিও ধারণ করতে গেলে কয়েকজন শিক্ষক ও অন্যরা তাদের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাংবাদিক এসএম তারিক বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে তারা পরীক্ষার্থীদের বই দেখে লিখতে দেখেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুই শিক্ষক ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা করেন বলে তার অভিযোগ। এ সময় তাদের দুটি মোবাইল ফোন এবং টেলিভিশনের বুম মাইক্রোফোন নিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাদের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। একপর্যায়ে কৌশলে সেখান থেকে বের হয়ে আসেন তারা।

তবে সাংবাদিকদের মারধর ও তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লব। তিনি বলেন, তাদের জ্ঞাতসারে পরীক্ষার্থীদের বই দেখে লিখতে দেওয়া হয়নি। পরীক্ষার হলে বই দেখে উত্তর লেখার কোনো নিয়মও নেই।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মেহেরপুরের সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। জেলার সাংবাদিকরা হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের বাধা, হামলা ও আটকে রাখার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, সাংবাদিক রাব্বি আহাম্মেদ বাদী হয়ে দুই শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে আরও সাত থেকে আটজন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, ঘটনার কারণ কী এবং সাংবাদিকদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম নেওয়া হয়েছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাইবান্ধায় নতুন ভোটকেন্দ্রের দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি

বই দেখে পরীক্ষা দেওয়ার ভিডিও, গাংনীতে ২ সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:২৭:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

মেহেরপুরের গাংনীতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন। শুক্রবার উপজেলার কাজিপুর ডিগ্রি কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিকরা হলেন নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহম্মেদ এবং দৈনিক খবরের কাগজের জেলা প্রতিনিধি এসএম তারিক। এ ঘটনায় শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লব ও বাবর আলীর নাম উল্লেখ করে আরও সাত থেকে আটজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে গাংনী থানায় মামলা করেছেন সাংবাদিক রাব্বি আহাম্মেদ।

রাব্বি আহাম্মেদ জানান, অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষার্থীদের বই দেখে উত্তর লেখার সুযোগ দেওয়ার খবর পেয়ে তারা কাজিপুর ডিগ্রি কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে বই দেখে পরীক্ষা দিতে দেখেন। বিষয়টির ভিডিও ধারণ করতে গেলে কয়েকজন শিক্ষক ও অন্যরা তাদের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাংবাদিক এসএম তারিক বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে তারা পরীক্ষার্থীদের বই দেখে লিখতে দেখেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুই শিক্ষক ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা করেন বলে তার অভিযোগ। এ সময় তাদের দুটি মোবাইল ফোন এবং টেলিভিশনের বুম মাইক্রোফোন নিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাদের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। একপর্যায়ে কৌশলে সেখান থেকে বের হয়ে আসেন তারা।

তবে সাংবাদিকদের মারধর ও তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লব। তিনি বলেন, তাদের জ্ঞাতসারে পরীক্ষার্থীদের বই দেখে লিখতে দেওয়া হয়নি। পরীক্ষার হলে বই দেখে উত্তর লেখার কোনো নিয়মও নেই।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মেহেরপুরের সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। জেলার সাংবাদিকরা হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের বাধা, হামলা ও আটকে রাখার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, সাংবাদিক রাব্বি আহাম্মেদ বাদী হয়ে দুই শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে আরও সাত থেকে আটজন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, ঘটনার কারণ কী এবং সাংবাদিকদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম নেওয়া হয়েছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হবে।