ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তে ‘নো ম্যান্স ল্যান্ডে’ আটকে থাকা ২৮ জন দুই দিন পর হঠাৎ উধাও

নোম্যান্স ল্যান্ডে থাকা সেই ২৮ জনের ব্যবহৃত পোশাক ও ব্যাগ। সংগৃহীত ছবি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তে নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করা ২৮ জনকে আর দেখা যাচ্ছে না। দুই দিন খোলা আকাশের নিচে অবস্থানের পর শনিবার ভোর থেকে তাদের খোঁজ মিলছে না। তবে ঘটনাস্থলে তাদের ব্যবহৃত পোশাক, ব্যাগ ও কিছু জিনিসপত্র পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্তের শূন্যরেখা ও নো ম্যান্স ল্যান্ডের ভারতীয় অংশের কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন ওই ২৮ জন। বিজিবির ধারণা, রাতের কোনো এক সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের নিজ ভূখণ্ডের ভেতরে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

বিজিবি ১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, “শনিবার ভোর থেকে তাদের আর দেখা যাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে বিএসএফ তাদের ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে গেছে। বিষয়টি আমরা নজরদারিতে রেখেছি।”

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শুক্রবার রাতে সীমান্ত এলাকায় একাধিক ভারতীয় গাড়ির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। আনারপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান জানান, রাতে দুই দফায় সীমান্তের আলো প্রায় ১০ মিনিট করে নিভিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ওই ২৮ জনকে আর দেখা যায়নি, তবে তাদের ব্যাগ ও পোশাক ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সীমান্ত পিলার ২০৩/৬-আর সংলগ্ন এলাকা দিয়ে ওই ২৮ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ ১২ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা। তাদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী ও ৬ শিশু রয়েছে। বিজিবির প্রতিরোধের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি এবং পরে নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান নেন।

এ বিষয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিজিবি জানিয়েছে, পুরো সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তে ‘নো ম্যান্স ল্যান্ডে’ আটকে থাকা ২৮ জন দুই দিন পর হঠাৎ উধাও

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:০০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তে নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করা ২৮ জনকে আর দেখা যাচ্ছে না। দুই দিন খোলা আকাশের নিচে অবস্থানের পর শনিবার ভোর থেকে তাদের খোঁজ মিলছে না। তবে ঘটনাস্থলে তাদের ব্যবহৃত পোশাক, ব্যাগ ও কিছু জিনিসপত্র পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্তের শূন্যরেখা ও নো ম্যান্স ল্যান্ডের ভারতীয় অংশের কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন ওই ২৮ জন। বিজিবির ধারণা, রাতের কোনো এক সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের নিজ ভূখণ্ডের ভেতরে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

বিজিবি ১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, “শনিবার ভোর থেকে তাদের আর দেখা যাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে বিএসএফ তাদের ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে গেছে। বিষয়টি আমরা নজরদারিতে রেখেছি।”

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শুক্রবার রাতে সীমান্ত এলাকায় একাধিক ভারতীয় গাড়ির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। আনারপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান জানান, রাতে দুই দফায় সীমান্তের আলো প্রায় ১০ মিনিট করে নিভিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ওই ২৮ জনকে আর দেখা যায়নি, তবে তাদের ব্যাগ ও পোশাক ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সীমান্ত পিলার ২০৩/৬-আর সংলগ্ন এলাকা দিয়ে ওই ২৮ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ ১২ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা। তাদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী ও ৬ শিশু রয়েছে। বিজিবির প্রতিরোধের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি এবং পরে নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান নেন।

এ বিষয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিজিবি জানিয়েছে, পুরো সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।