ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়
নওগাঁ

সাপাহার সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ

নওগাঁ-১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের করমুডাঙ্গা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নওগাঁর সাপাহার সীমান্তে ১৭ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েও সফল হতে পারেনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বিজিবির তাৎক্ষণিক ও কঠোর অবস্থানের মুখে পুশইনের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে রাতের আঁধারে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়েছে বলে জানিয়েছে সীমান্ত সূত্র।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুন ২০২৬ তারিখে নওগাঁ-১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের করমুডাঙ্গা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভারতের ৮৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ আদাডাঙ্গা ক্যাম্পের সদস্যরা ১৭ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করে এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়।

এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখা (জিরো লাইন) বরাবর ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিলেন। বিজিবির কড়া নজরদারি ও উপস্থিতির কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি। ফলে বিএসএফের পুশইনের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

সীমান্ত এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সূত্র জানায়, ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত ওই ১৭ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে অবস্থান করতে দেখা যায়। তবে পরবর্তীতে তাদের আর সেখানে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ভারতের ভেতরে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পুশইনের অভিযোগ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিলেও সাপাহার সীমান্তে বিজিবির তৎপরতায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার রেখেছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিজিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তি লঙ্ঘন করে কোনো ধরনের পুশইনের চেষ্টা বরদাশত করা হবে না। ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির সক্রিয় উপস্থিতি ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণেই ওই ১৭ জনের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সীমান্তজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি নতুন করে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

নওগাঁ

সাপাহার সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:৩০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

নওগাঁর সাপাহার সীমান্তে ১৭ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েও সফল হতে পারেনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বিজিবির তাৎক্ষণিক ও কঠোর অবস্থানের মুখে পুশইনের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে রাতের আঁধারে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়েছে বলে জানিয়েছে সীমান্ত সূত্র।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুন ২০২৬ তারিখে নওগাঁ-১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের করমুডাঙ্গা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভারতের ৮৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ আদাডাঙ্গা ক্যাম্পের সদস্যরা ১৭ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করে এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়।

এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখা (জিরো লাইন) বরাবর ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিলেন। বিজিবির কড়া নজরদারি ও উপস্থিতির কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি। ফলে বিএসএফের পুশইনের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

সীমান্ত এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সূত্র জানায়, ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত ওই ১৭ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে অবস্থান করতে দেখা যায়। তবে পরবর্তীতে তাদের আর সেখানে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ভারতের ভেতরে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পুশইনের অভিযোগ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিলেও সাপাহার সীমান্তে বিজিবির তৎপরতায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার রেখেছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিজিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তি লঙ্ঘন করে কোনো ধরনের পুশইনের চেষ্টা বরদাশত করা হবে না। ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির সক্রিয় উপস্থিতি ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণেই ওই ১৭ জনের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সীমান্তজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি নতুন করে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।